মানিকগঞ্জের শিবালয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত যাত্রী ও স্বজনরা থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে, দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও সিএনজি আগেই ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুলাই সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উথলী হাসপাতালের কাছে ঢাকাগামী একটি সিএনজিকে পেছন থেকে বেপরোয়া গতির সেলফি পরিবহনের বাস (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪-১৪৩৭) ধাক্কা দেয়। এতে নারীসহ তিন যাত্রী গুরুতর আহত হন। বাসটি পালিয়ে গেলে স্থানীয়রা ধাওয়া করে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে মহাদেবপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে আটক করে। বরংগাইল হাইওয়ে থানা পুলিশ বাস ও সিএনজি থানায় নিয়ে আসে।
আহতরা হচ্ছেন, শিবালয় উপজেলার আধ শিমুলিয়া গ্রামের আজিজের স্ত্রী মিনা বেগম (৪১), অন্বয়পুর গ্রামের জিন্নত শেখের পুত্র শামিম (৩৫) ও পার্শ্ববর্তী ঘিওর উপজেলার শ্রীবাড়ি গ্রামের মেরেজের স্ত্রী লিপি আক্তার (৪০)।
পুলিশ আহতদের জানান, চিকিৎসা শেষে এসে মামলা করা যাবে। তবে, ২৪ জুলাই আহতদের স্বাজনরা মামলা করতে গেলে দেখা যায় যানবাহন থানায় নেই।
আহত শামিমের ভাই জনি মিয়া জানান, তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় তার ভাইকে মানিকগঞ্জ মুন্নু মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাইওয়ে থানায় মামলা করতে গেলে দায়িত্বরত অফিসার তাকে জানায় আগে রোগী সুস্থ করেন দুদিন পরেই মামলা করা যাবে। কিন্তু, তিনদিন পর তিনি আবারও মামলা করতে গিয়ে দেখেন বাস ও সিএনজি উধাও।
দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই আ. রউফ জানান, মালিক ও সমিতির লোকজন মুচলেকা দিয়ে গাড়ি নিয়ে গেছে। কিন্তু তিনি কোনো মুচলেকার কপি দেখাতে পারেননি।
হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হন নি।
