কুড়িগ্রামে চলমান বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনিং রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগের মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রায় ২ হাজার পরীক্ষার্থী।
পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরীক্ষা কার্যক্রম চলাকালীন কুড়িগ্রাম পুলিশ লাইন্স গেটের বাইরে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে একটি দালাল চক্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুড়িগ্রামের ডিবি পুলিশের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে নিয়োগ সংক্রান্ত ভুয়া কাগজপত্রসহ দালাল চক্রের ৩ জন এবং মাঠ পরীক্ষায় অসৎ উপায় অবলম্বন, জাল কাগজপত্র ও নিয়োগ কমিটির স্বাক্ষর জাল করায় আরও ২ জন পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কচাকাটা থানাধীন নারায়ণপুর ইউনিয়নের কুলামুয়া কালার চর এলাকার নুরনবী ইসলাম (১৮), বল্লভেরখাস ইউনিয়নের মাদারগঞ্জ এলাকার হজরত আলী (৪৮) ও গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি এলাকার সোলায়মান মিয়া (৫০)।
পরীক্ষায় অসৎ উপায় অবলম্বন করায় রাজারহাট উপজেলার কিশামত পাইকপাড়া এলাকার নাহিদ মিয়া (১৯) ও নিয়োগ সংক্রান্ত জ্বাল কাগজপত্র ও নিয়োগ কমিটির স্বাক্ষর জাল করে কৃতকার্য হওয়ার চেষ্টা করায় ফুলবাড়ী উপজেলার আতিয়াবাড়ি এলাকার রাকিবুল হাসান রাকিবকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার এবং (ওসি) ডিবি বজলার রহমান বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় অসৎ উপায় অবলম্বন করায় আমরা ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। কুড়িগ্রাম জেলায় শতভাগ সচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে। এবার নিয়োগেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ সম্পন্ন করতে বদ্ধ পরিকর কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ।
