সেলিম উদ্দিন

জামায়াতে ইসলামী এখন অধিকার বঞ্চিত মানুষের আস্থার প্রতীক

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:১১ পিএম

গণরায় যাতে কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে সে জন্য ইসলামী আন্দোলনের সকল স্তরের জনশক্তিকে প্রতিটি কেন্দ্রে অতন্ত্র প্রহরীর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

আজ শুক্রবার রাজধানীতে ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনের কেন্দ্র পরিচালকদের এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য হেদায়েত উল্লাহর সভাপতিত্বে ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও বনানী থানা আমির মিজানুর  রহমান খানের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ ফার্টিলিটি হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা. এস এম খালিদুজ্জামান।

এতে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণের গুলশান জোনের পরিচালক সাইফুল ইসলাম, গুলশান পশ্চিম থানা আমির মাহমুদুর রহমান আজাদ, ক্যান্টনমেন্ট থানা আমির আব্দুস সাকি, গুলশান পূর্ব থানা আমির জিল্লুর রহমান ও ভাষানটেক থানা আমীর ডা. আহসান হাবিব প্রমুখ।

সেলিম উদ্দিন বলেন, জনগণ দেশে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন চায়। কারণ, স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারগুলো জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে প্রায় ক্ষেত্রেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ফলে এখন জামায়াতে ইসলামী আশাহত ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় তারা আগামী দিনে ইসলামকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় পাঠানোর জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। তারা আগামীতে যেকোনো নির্বাচনে ইসলামী শক্তিকে বিজয়ী দেখতে রীতিমত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ দেশের মানুষ আর কোনো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ভোট চোরদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সদ্য সমাপ্ত ডাকসু নির্বাচন নতুন প্রজন্মের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। তাই ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদেরকে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে অতিসন্তর্পণে অগ্রসর হতে হবে। তিনি আগামী নির্বাচনের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণজোয়ারকে সংগঠিত করার জন্য সকলকে ময়দানে আপসহীন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব আমাদের জাতীয় জীবনের ঐতিহাসিক অর্জন। অনেক ত্যাগ ও কোরবানির বিনিময়ে আমাদের এ বিজয় অর্জিত হয়েছে। এজন্য শত-সহস্র মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। অনেকে হাত, পা ও চোখ হারিয়ে স্থায়িভাবে বিকলাঙ্গ হয়ে পড়েছেন। তাই  প্রস্তাবিত জুলাই সনদকে কোনও কার্যকাররিতাহীন উপাখ্যান বানালে চলবে না বরং এ সনদের সাংবিধানিক ভিত্তি দিতে হবে। রাষ্ট্রের কার্যকর সংস্কারের সঙ্গে সঙ্গে জুলাই গণহত্যাকারীদের বিচার দৃশ্যমান হওয়ার পর প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তের পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হতে হবে। জনগণ দেশে আর কোনও ভোট চুরির প্রহসনের নির্বাচন মেনে নেবে না বরং এ ধরনের যেকোনও ষড়যন্ত্র সম্মিলিতভাবে রুখে দেবে। তিনি পিআর পদ্ধতির নির্বাচন আদায়ে দলমত নির্বিশেষে সকলকে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত