গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তৃতীয় দিন ধরে সাক্ষ্য দিচ্ছেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। মামলার এ আসামিদের মধ্যে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ মামুন।
ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এদিন বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এনিসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণেরও কথা রয়েছে।
এর আগে, ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১-এ মাহমুদুর রহমান সাক্ষ্য দেন।
সাক্ষ্যে তিনি জানান, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এবং তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদ। ওই চুক্তির মাধ্যমে চাকরির নিশ্চয়তা এবং ‘সেইফ এক্সিটের’ নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল।
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল শেখ তাপস এবং আওয়ামী লীগের নেতাদের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে। হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা। এই পরিকল্পনা ছিল সুক্ষ্মভাবে গঠিত এবং এতে বিদেশি শক্তিরও জড়িত থাকার উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখযোগ্য, এই মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং চৌধুরী মামুনের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৪৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
চারটি পদ্ধতিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
তিন দফা দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের অনশন