মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত বৈঠকের আগে-পরে কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড় বইছে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেইজিং এক কঠোর পদক্ষেপ নেয়—ছয়টি মার্কিন কোম্পানির ওপর আরোপ করা হয় নিষেধাজ্ঞা। খবরটি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেদিন এক বিবৃতিতে জানায়, তিনটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে তারা ‘অনির্ভরযোগ্য সত্তার তালিকা’-ভুক্ত করেছে। এর ফলে এসব কোম্পানির সঙ্গে চীনের বাণিজ্য কার্যত বন্ধ হয়ে গেল। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, ‘কোম্পানিগুলো তাইওয়ানের সঙ্গে তথাকথিত সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় যুক্ত হয়ে চীনের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে।’
তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মানববিহীন যান নির্মাতা সারনিক টেকনোলজিস, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যারকম এবং সমুদ্রতল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ওশানিয়ারিং ইন্টারন্যাশনাল।
এদিকে আলাদাভাবে আরও তিন মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে চীন অন্তর্ভুক্ত করেছে তাদের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায়। ফলে এসব কোম্পানি সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই ‘দ্বৈত ব্যবহারের’ কোনো পণ্য চীন থেকে আমদানি করতে পারবে না।
এই তালিকায় রয়েছে যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা হান্টিংটন ইঙ্গলস ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রকৌশল ও অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান প্লানেট ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ এবং গোয়েন্দা সেবা প্রদানকারী গ্লোবাল ডাইমেনশনস। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, এই তিন প্রতিষ্ঠান সরাসরি চীনের জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলছে।
বাংলাদেশে কৃষি ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরে ডাচ সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা