এশিয়া কাপের সেরা একাদশে ৬ ভারতীয়, পাকিস্তান-বাংলাদেশের একজন 

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৬:০৬ পিএম

ভারতের নবম এশিয়া কাপ জয় দিয়ে শেষ হলো ২০২৫ আসর। টুর্নামেন্টজুড়ে আধিপত্য দেখিয়ে সূর্যকুমার যাদবের দল শিরোপা জিতলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন একঝাঁক পারফর্মার। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে গড়া হয়েছে টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ, যেখানে ছয়জন ভারতীয় জায়গা পেয়েছেন। পাকিস্তান থেকে সুযোগ পেয়েছেন কেবল শাহীন শাহ আফ্রিদি। বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমান। 

ওপেনার

অভিষেক শর্মা (ভারত)
৭ ম্যাচে ৩১৪ রান, গড় ৪৪.৮৫, স্ট্রাইক রেট ২০০
পুরো টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক অভিষেক শর্মা ছিলেন ভারতের ব্যাটিংয়ের ভরসা। পাওয়ারপ্লেতে বিধ্বংসী ব্যাটিং করে প্রতিটি ম্যাচে দলকে এগিয়ে দিয়েছেন।
পাথুম নিসাঙ্কা (শ্রীলঙ্কা)
৬ ম্যাচে ২৬১ রান, গড় ৪৩.৫০, স্ট্রাইক রেট ১৬০.১২
একমাত্র সেঞ্চুরি হাঁকানো ব্যাটার। ভারতের বিপক্ষে তার সেঞ্চুরি দলকে লড়াইয়ে রেখেছিল। স্থিরতা ও পরিমিত ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতে অভিষেকের পারফেক্ট সঙ্গী।

মিডল অর্ডার

সূর্যকুমার যাদব (ভারত, অধিনায়ক)
৭ ম্যাচে ৭২ রান
ব্যাট হাতে তেমন রান না এলেও নেতৃত্বগুণে সেরা একাদশে জায়গা পাকা। স্পষ্ট পরিকল্পনা, খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা আর কৌশলগত বিচক্ষণতা এনে দিয়েছে শিরোপা।

সঞ্জু স্যামসন (ভারত, উইকেটকিপার)
৭ ম্যাচে ১৩২ রান, গড় ৩৩, স্ট্রাইক রেট ১২৪.৫২
অর্ডারের বাইরে ব্যাট করেও গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। দারুণ ক্যাচ আর ডিআরএসে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফাইনালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তিলক ভার্মা (ভারত)
৭ ম্যাচে ২১৩ রান, গড় ৭১, স্ট্রাইক রেট ১৩১.৪৮
ফাইনালে তার অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংস ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। পুরো টুর্নামেন্টে চাপ সামলে দলের প্রয়োজনে খেলেছেন।

শিভম দুবে (ভারত)
ফাইনালে ৩৩* রান, মোট ৫ উইকেট, ইকোনমি ৭.৭৭
অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে দলের আস্থা অর্জন করেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তোলেন, ফাইনালে ব্যাট হাতে জয়ের নায়ক।

স্পিনার

ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (শ্রীলঙ্কা)
৬ ম্যাচে ৮ উইকেট, ইকোনমি ৬.৫০
মাঝের ওভারে নিয়ন্ত্রণ রাখার পাশাপাশি ব্যাট হাতেও কার্যকর। দলের জন্য স্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে অমূল্য সম্পদ।

পেসার

শাহীন শাহ আফ্রিদি (পাকিস্তান)

৭ ম্যাচ, ৮৩ রান, ১০ উইকেট, ইকোনমি ৬.৬০
ব্যাট ও বলে দু’দিকেই প্রভাব রেখেছেন। পাকিস্তানের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে সেরা একাদশে জায়গা পেয়েছেন।

মোস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ)

৬ ম্যাচ, ৯ উইকেট, ইকোনমি ৭.৪৩
ডেথ ওভারে বল হাতে ভরসা জাগিয়েছেন। বৈচিত্র্য দিয়ে প্রতিপক্ষকে ভুগিয়েছেন।

মোস্তাফিজুর রহমান: ৬ ম্যাচ, ৯ উইকেট, ইকোনমি ৭.৪৩

জুনায়েদ সিদ্দিক (সংযুক্ত আরব আমিরাত)

৩ ম্যাচ, ৯ উইকেট, ইকোনমি ৬.৩৩
টানা দুটি ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে আলো কাড়েন। পাকিস্তানের বিপক্ষে অসাধারণ স্পেল বিশ্বমঞ্চে তাকে চিনিয়েছে।

দ্বাদশ খেলোয়াড়
সাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান)
অ্যাঙ্কর ব্যাটসম্যান হিসেবে দলের ভরসা ছিলেন। ফাইনালেও ভালো শুরু এনে দিলেও তার আউট পাকিস্তানের বিপর্যয়ের সূচনা করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত