ব্রাজিলের যুব একাডেমিতে তৈরি হচ্ছে ‘মেসি’ ‘নেইমার’ ‘ইনিয়েস্তা’

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৪২ পিএম

লিওনেল মেসি, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা এবং নেইমার— ফুটবল ইতিহাসে তিনটি নাম স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে। ব্রাজিলের সিয়ারা যুবা একাডেমিতে এই তিন মহাতারকার নাম বহন করছে তিনজন কিশোর। শুধু প্রিয় তারকা কিংবা ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা নয়, তিনজনের নামকরণের পেছনে আছে দারুণ সব গল্প।

সিয়ারা একাডেমিতে কিশোর ইনিয়েস্তা ও মেসিকে আবিষ্কার করেন সের্জিও মেসকুইটা। তিনি জানান, এই দুজনের ট্যাকটিক্যাল ও টেকনিক্যাল দক্ষতা এবং মাঠের পারফর্মেন্স তাকে আকৃষ্ট করেছিল। আর নেইমারকে আবিষ্কার করেন একাডেমির একজন রিক্রুটার। কিন্তু কেন এই তিন সুপারস্টারের নামে নিজ নিজ সন্তানের নাম রাখলেন তাদের অভিভাবকেরা?

মেসির মা লিসিয়ানে মায়েরি বলেন, ‘আমি গর্ভবতী অবস্থায় ফুটবল খেলছিলাম। তখনই ঠিক করলাম— অনাগত সন্তানের নাম রাখব লিওনেল মেসি। অবশ্য এটা ভাবিনি যে, আমার অনাগত সন্তান ফুটবলে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চাইবে কিনা। আজ সে সিয়ারায় খেলছে, স্বপ্ন পূরণের পথে আছে।’ ব্রাজিলের সিয়ারা যুবা একাডেমির তিন কিশোর লিওনেল মেসি, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা এবং নেইমার।

নেইমারের বাবা গিলসন ফ্রেইটাস অবশ্য প্রথমে ছেলের অন্য নাম রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরে ছেলের নাম রাখেন ‘নেইমার’। এই কিশোরের বাবা নেইমার কুনহা বলেন, ‘আমাদের স্বপ্ন হলো ছেলেকে পেশাদার ফুটবলার হিসেবে গড়ে তোলা। এটি আমাদের পরিবারকে উন্নতির পথ দেখাবে। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা প্রতিদিন আরও উন্নতি করব।’

ইনিয়েস্তার বাবা অ্যালান ভিয়েরা বলেন, ‘আমরা ইনিয়েস্তার নাম দিয়েছি কারণ তিনি মাঠে অসাধারণ। তার কাছ থেকে মেসি ও ড্যানিয়েল আলভেসের মতো খেলোয়াড়েরা অনুপ্রেরণা পেয়েছে।’

মেসি, নেইমার ও ইনিয়েস্তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এখনও পৌঁছায়নি, কিন্তু তারা ইতিমধ্যেই শিখেছে সত্যিকারের তারকাদের সাহস ও স্বপ্ন দেখার মানসিকতা। সিয়ারার মাঠে তারা হয়তো ছোট, কিন্তু ব্রাজিলের হাজার হাজার যুবকের জন্য তারা এখন স্বপ্নের প্রতীক। ইনিয়েস্তা যেমন বলেছেন, ‘আমার স্বপ্ন হলো ব্রাজিলের জাতীয় দলে খেলা এবং বিশ্বকাপ জয়।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত