বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে দুই বছর সময়সীমার পর অপরাধ আমলে নেওয়ার আইনগত বাধা প্রশ্নে রুল দিয়েছেন উচ্চ আদালত। রুলে ২ বছর সময়সীমার পরে বাল্যবিবাহের অপরাধ আমলে গ্রহণে আইনগত বাধা কেন ন্যায়বিচারের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী জিনাত হক এবং বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ আজ রবিবার এ রুল দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। তিনি হাইকোর্টের এই রুলের বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেন।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ধারা ১৮-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করেন ইশরাত হাসান। এতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, বাল্যবিবাহ সংঘটনের দুই বছর পর কোনো অভিযোগ আদালত আমলে নিতে পারবে না।
রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, বাল্যবিবাহের শিকার শিশুরা কম বয়স ও পরিস্থিতির কারণে অভিযোগ জানাতে পারে না। তবে কেউ যদি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বিচারপ্রার্থী হন তখন আইনের ১৮ ধারা প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করে। এটি রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার প্রদানের দায়িত্বের পরিপন্থি। এটি এমন একটি আইনি বাধা যা বাস্তবে অপরাধীকে রক্ষা করে এবং ভুক্তভোগীকে বঞ্চিত করে। এটি সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আইনের সমান সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের অধিকারের পরিপন্থি।
অন্তর্বর্তী সরকারের সংবাদ সম্মেলন সোমবার
আগামী নির্বাচনে জনগণের ভোটে বিএনপি বিজয়ী হবে: দুলু