সাবেক মুখ্য সচিব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. কামাল সিদ্দিকী মারা গেছেন। সোমবার( ০৩ নভেম্বর) ভোরে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তথ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়। খবর বাসস
বাদ আছর গুলশানের আজাদ মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এ দিকে বিশিষ্ট প্রশাসক, অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকীর মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ড. কামাল সিদ্দিকী ছিলেন প্রশাসন, উন্নয়নচিন্তা ও একাডেমিক গবেষণার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি ছিলেন সৎ, দূরদর্শী ও নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তা, যিনি দেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে আধুনিকায়নের জন্য কাজ করেছেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা, গবেষক ও নীতিনির্ধারক হিসেবে তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ড. কামাল সিদ্দিকীর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ছিল। আমরা প্রায়ই দেশের ভবিষ্যৎ, প্রশাসনিক সংস্কার ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করতাম। তিনি ছিলেন নীতিবান, বিনয়ী ও দেশপ্রেমিক মানুষ। ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন প্রিয় বন্ধু ও প্রজ্ঞাবান সহযাত্রীকে হারালাম।
১৯৫৪ সালে জন্ম নেওয়া কামাল সিদ্দিকী ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের শেষ সময়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এছাড়া ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার সময় দুর্নীতির এক মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কামাল সিদ্দিকীকেও অভিযুক্ত করা হয়।
