ফ্রান্সজুড়ে সহিংসতা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে রাস্তায় নেমেছে হাজারো মানুষ। শনিবার (২২ নভেম্বর) রাজধানী প্যারিসে বেগুনি রঙের ব্যানার হাতে স্লোগান দিতে দিতে রাস্তায় মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা। গ্রেভ ফেমিনিস্ত–এর উদ্যোগে আয়োজিত এ বিক্ষোভে আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষ অংশ নেন, যদিও পুলিশের হিসাব মতে সংখ্যা ছিল সাড়ে সতেরো হাজারের মতো।
বিক্ষোভকারীদের প্ল্যাকার্ডে ফুটে ওঠে সংকটের ভয়াবহতা—দাবি করা হয়, ফ্রান্সে গড়ে আড়াই দিনে একজন নারী সঙ্গী বা সাবেক সঙ্গীর হাতে প্রাণ হারান, এবং ধর্ষণের শিকার নারীদের বেশিরভাগই তাদের হামলাকারীকে চেনেন। '২০২৫ সালেও কি আমাদের নারীদের মৃতদেহ গুনতে হবে?'— প্রশ্ন তোলেন ফ্রান্সের জাতীয় নারীনিধন ভুক্তভোগী ফেডারেশনের সভাপতি সিলভেইন গ্রেভিন।
প্যারিস ছাড়াও লিলসহ বিভিন্ন শহরেও বিক্ষোভ হয়েছে। লিলে অংশ নেওয়া তরুণীরা বলেন, “ভালোবাসার সম্পর্ক মানে নির্যাতন নয়—আমাদের অধিকার আছে নির্যাতনমুক্তভাবে বাঁচার।”
নারীর প্রতি সহিংসতা ঠেকাতে নারী অধিকার সংগঠনগুলো একটি বিস্তৃত ও কার্যকর আইন প্রণয়ন এবং এর জন্য তিন বিলিয়ন ইউরোর বাজেট বরাদ্দের দাবি জানায়। পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষা কার্যক্রম এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তাকারী সংগঠনগুলোর জন্য বাড়তি তহবিল চায় তারা।
সরকারি তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে ফ্রান্সে ঘনিষ্ঠ সঙ্গীর হাতে নারীনিধন বেড়েছে এগারো শতাংশ; এ সময়ে ১০৭ জন নারী নিহত হয়েছেন। আর দেশটিতে গড়ে প্রতি দুই মিনিটে একজন নারী ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টা বা যৌন সহিংসতার শিকার হন। যৌন হয়রানি, অশালীন প্রদর্শন বা অনিচ্ছাকৃত যৌন কন্টেন্ট প্রদর্শনের ঘটনা গড়ে প্রায় প্রতি তেইশ সেকেন্ডে একবার ঘটে।
অধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ফরাসি সরকারের অন্তত দুই বিলিয়ন ছয় শো মিলিয়ন ইউরো—অর্থাৎ মোট বাজেটের শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ—বরাদ্দ ক
