বাউল আব্দুল সরকারের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে জাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১১:২৮ পিএম

মহান আল্লাহ তাআলার ব্যাপারে কটূক্তিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বাউল আব্দুল সরকারের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং ব্লাসফেমি আইন প্রণয়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাত ৯টায় “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম শিক্ষার্থী” ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, “ইসলামের শত্রুরা, হুশিয়ার সাবধান”, “আল্লাহ তাআলার অপমান, সইবে না মুসলমান”, “ইসলামের অপমান, সইবে না মুসলমান”, “ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, আব্দুল সরকারের ফাঁসি চাই”, “ইসলাম বিরোধীর আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও”—ইত্যাদি।

সমাবেশে বাংলা বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবরার শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) কার্যকরী সদস্য মো. আলী চিশতি বলেন, “মসজিদের দেশ বাংলাদেশ, শাহজালালের দেশ বাংলাদেশ, তাওহিদের দেশ বাংলাদেশ। ’২৪–এর অভ্যুত্থানের পরে দেশে ইসলামবিদ্বেষ, আল্লাহকে অবমাননা ও কুরআন অবমাননার ঘটনা বেড়ে গেছে। পালাগানের নামে যারা ইসলামকে অবমাননার বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে, আমরা তাদের চিহ্নিত করে রাখছি। আব্দুল সরকারকে গ্রেপ্তার করা হলেও যদি আবার কোনোভাবে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়, আমরা তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।”

বাংলা বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফুল্লাহ সাদ বলেন, “প্রতিবার রাসুল (সা.)-এর শানে বেয়াদবি করা হয়, আল্লাহর শানে বেয়াদবি করা হয়, আলেম–ওলামাদের নিয়ে কটূক্তি করা হয় এবং আমাদের ধৈর্যের কথা বলা হয়। এবার আর নয়। সত্য–মিথ্যার পার্থক্য দেশের মানুষ বুঝে গেছে। আব্দুল হোসেন সরকার যেহেতু গ্রেপ্তার হয়েছেন, আমরা দেখবো তার বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—আবার নাটকের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়, নাকি সুষ্ঠু সমাধান করা হয়। আমাদের সম্মিলিত দাবি—ব্লাসফেমি আইন প্রণয়ন করতে হবে, এবং যারা বাউল বা অন্য কোনো পরিচয়ে লুকিয়ে থেকে ধর্ম অবমাননা করছে, তাদের প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত