ভারত থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রত্যর্পণের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনও তথ্য নেই। আজ রবিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত 'ডিক্যাব টক' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ভারত থেকে প্রত্যর্পণের শুরুটা হবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজাপ্রাপ্ত আসামি আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়ে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের এ মন্তব্যের ভিত্তি কি, এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মন্তব্যটি করেন।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে কোনও তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা দূতাবাসে নেই। তার স্ট্যাটাস স্পর্শকাতর, তবে সরকারের কোনও বাধা নেই। তিনি দেশে আসতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে ওয়ান টাইম পাস দেবে। চাইলে এক দিনের মধ্যে ট্রাভেল পাস ইস্যু করবে অন্তর্বর্তী সরকার।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, লন্ডনে তিনি কোন স্ট্যটাসে আছেন, তা জানে না সরকার। তিনি দেশে ফিরতে চাইলে অন্য কোনও দেশ তা আটকাতে পারে, সেটি অস্বাভাবিক। আর বাংলাদেশ যদি তার কোনও নাগরিককে দেশে ফেরত আনতে চায়, তবে অন্য দেশ কীভাবে তাতে বাধা দিতে পারে?
অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঠেকাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিল্লির সাংবাদিকদের বলেছে, দেশটি শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে। আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারত নীরব।
