জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনার জট কাটিয়ে ফল ঘোষণা শুরু হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন বিভাগের ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ভোট গণনা কার্যক্রমে সাময়িক স্থবিরতা দেখা দেয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কারিগরি সমস্যার কারণে গণনা বন্ধ রাখা হয়। নির্বাচন কমিশনার শহীদুল ইসলাম জানান, দুটি মেশিন থেকে ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল আসায় পরিস্থিতি যাচাই না হওয়া পর্যন্ত ভোট গণনা স্থগিত করা হয়েছিল।
পরে নির্বাচন কমিশন প্যানেলভিত্তিক ও স্বতন্ত্র ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে। আলোচনার পর মধ্যরাত পেরিয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আবারও ভোট গণনা শুরু হয়। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে প্রথম দফায় নৃবিজ্ঞান বিভাগের ভোট গণনা সম্পন্ন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময় শেষ হলেও কয়েকটি বিভাগে ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। পরে অপেক্ষমাণ এসব ভোটারও ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে আনুমানিক ৬৫ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদে ১৫৭ জন এবং একমাত্র ছাত্রী হলের সংসদের ১৩টি পদে ৩৩ জনসহ মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে ১৯০ জন প্রার্থী চূড়ান্ত তালিকায় ছিলেন। এ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৬৫ জন।
জকসু নির্বাচনে চারটি প্যানেল অংশ নেয়। এগুলো হলো ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, বাম জোট–সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি–সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন।
গুরুত্বপূর্ণ তিন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্রও ছিল চোখে পড়ার মতো। সহসভাপতি (ভিপি) পদে ১২ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৯ জন এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে বাড়ছে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও অপেক্ষা।
চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করিনা, তবে টিকটক অনেক দেখি: মেসি
বিপিএলে আজ কার কার খেলা