ঢাকার কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়ন থেকে রোকেয়া রহমান (৩২) ও তার মেয়ে ফাতেমার (১৪) অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় মুক্তির বাগ এলাকায় ৫ তলা ভবনের ২ তলার একটি ফ্লাটের খাটের নিচ থেকে রোকেয়ার এবং বাথরুমের হল ছাদ থেকে মেয়ে ফাতেমার লাশ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটি ফাতেমার গৃহ শিক্ষিকা মিমের বলে জানা যায়।
স্থানীয়রা জানান, বিকাল থেকে কালিন্দীর মুসলিমবাগ ঐ ভাড়া বাসা থেকে প্রচুর দুর্গন্ধ বের হয়। প্রথমে এলাকাবাসী ময়লার দুর্গন্ধ ভাবলে ধীরে ধীরে গন্ধ প্রকট হতে থাকে। পরে গন্ধের উৎস খুঁজতে থাকলে মিমের ফ্ল্যাট থেকে বের হচ্ছে বলে নিশ্চিত হয় এলাকাবাসী। এ সময় ফ্ল্যাটের দরজা খুলতে বললে ভেতরের বাসিন্দারা দরজা না খুললে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে রুমের দরজা ভেঙে বক্স খাটের ভেতর থেকে রোকেয়ার লাশ এবং বাথরুমের হল ছাদের ওপর থেকে মেয়ে ফাতেমার লাশ উদ্ধার করে।
নিহত রোকেয়ার ভাই জাহিদ জানান, গত ২৫ ডিসেম্বর আমার বোন ও ভাগ্নী নিখোঁজ হলে আমরা কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় পরদিন জিডি করি। আমাদের শুরু থেকেই গৃহ শিক্ষিকাকে সন্দেহ হচ্ছিল। আমি পুলিশকে জানিয়েছি কয়েকবার। পুলিশ গুরুত্ব দেয়নি। আমার ভাগ্নীর গলায় স্বর্ণের চেইন ছিল, বোনের গলায় ও চেইন ছিল। চেইন নেওয়ার জন্যই হয়তো হত্যা করেছে মিম।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এম সাইফুল আলম জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসা বাদের জন্য শিক্ষিকা মিম, মিমের স্বামী হুমায়ন, বড় বোন নুরজাহান ও ফাতেমার বান্ধবী মাহীকে পুলিশে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
