গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলের গেজেট স্থগিত চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন হয়েছে। এতে গণভোটের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদনটি করেন। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোট হয়। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন। ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন। ‘না’-এর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি পেয়েছে ‘হ্যাঁ’ ভোট।
রিট আবেদনের যুক্তিতে রিটকারী আতাউল মজিদ তৌহিদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্য উপদেষ্টারা বর্তমান সংবিধানকে রক্ষা করার শপথ নিয়েছিলেন। এ ছাড়া সংবিধানের কোথাও গণভোটের কোনো অস্তিত্ব নেই। যেহেতু গণভোটের কোনো অস্তিত্ব নেই, তাই এটি অসাংবিধানিক ও অবৈধ। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তারা দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন করে একটি জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে তারা।