অভিযোগের প্রেক্ষিতে যে বিবৃতি দিলেন তাজুল ইসলাম

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর থাকাকালে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগকে বিদ্বেষপ্রষুত ও মিথ্যা বলে বিবৃতি দিয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, অভিযোগের স্বপক্ষে সামান্য তথ্য প্রমাণও কেউ দেখাতে পারবে না।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের পদে তাজুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করে সরকার। একই দিন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলামকে এ পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

তাজুল ইসলামের বিদায়ের দিন তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ। এ প্রসিকিউটরের অভিযোগ, ‘চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে’ টাকা আয়ের হাতিয়ার করেছিল তাজুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট।

তাজুল ইসলাম বিবৃতিতে বলেন, আমার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জনৈক প্রসিকিউটরের বরাতে কিছু বিদ্বেষপ্রসূত ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, উক্ত বক্তব্য (প্রসিকিউটরের) সমূহ জঘন্য মিথ্যাচার, তথ্য প্রমাণহীন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার দূরভিসন্ধি থেকে করা হয়েছে। উক্ত বিদ্বেষ প্রসূত ও অভিযোগগুলো সর্বোতভাবে মিথ্যা ও এবং ভিত্তিহীন।

তিনি বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আমার বিরুদ্ধে আনীত এসব স্বপক্ষে সামান্য তথ্য প্রমাণও কেউ দেখাতে পারবে না। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আমি এবং প্রসিকিউশন টিমের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল স্বচ্ছ এবং আইনানুগ।

অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, আমি মনে করি পতিত স্বৈরাচার এবং গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে নিষ্পত্তিকৃত এবং চলমান বিচার প্রক্রিয়া থেকে দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি মহল সংঘবদ্ধভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে যাতে এই বিচার আর কোনোভাবে অগ্রসর না হতে পারে। তিনি দায়িত্ব পালনকালে আমার বিরুদ্ধে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ কেউ পায়নি। আমি বিদায় নেওয়ার পর বিশেষ মহল গণহত্যাকারীদের সুবিধা দিতে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত