ওজন কমাতে ‘নো কার্ব’ ডায়েটের জনপ্রিয়তা রয়েছে। তবে মস্তিষ্কেরও কার্বসের প্রয়োজন রয়েছে, শুধু প্রোটিনের ওপর নির্ভর করে বাঁচা যায় না। শরীরে শক্তি জোগান শুধু প্রোটিন দেয় না, কার্বোহাইড্রেটের ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু কোন ধরনের কার্বস গ্রহণ করছেন, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি।
কার্বোহাইড্রেটের ভালো-মন্দ
কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিলে শরীরে ‘কিটোসিস’ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। এই পর্যায়ে শরীর ফ্যাট গলিয়ে শক্তি উৎপাদন করে। কিন্তু শরীরে কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি হলে মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয়। মাথা ঘোরে, শরীর অত্যন্ত দুর্বল হয়ে যায়, মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময়ে ভুল কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খেয়ে নিলে রক্তে শর্করার মাত্রাও বেড়ে যায়। তাই সঠিক কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বেছে নেওয়া জরুরি।
কমপ্লেক্স কার্বস : স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী কমপ্লেক্স কার্বস। একে ‘ভালো’ কার্বসও বলা যায়। এই কার্বস পাওয়া যায় দানাশস্য, ফল, বাদাম ও বিভিন্ন ধরনের বীজের মধ্যে। এতে শুধু কমপ্লেক্স কার্বস থাকে না, ফাইবারও মেলে। তাই ওটস, ডালিয়া, ডালের মতো খাবার খেলে শরীরে এনার্জি মেলে এবং ওজনও বশে থাকে।
সিম্পল কার্বস : এই কার্বস পাওয়া যায় চিনি মেশানো খাবারে, ময়দার তৈরি খাবারে। পাউরুটি, পাস্তা, নুডলস, কেক ইত্যাদি খেলে সিম্পল কার্বস পাওয়া যায়। এ ধরনের খাবার একেবারেই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়। সুতরাং কার্বস খাওয়া বন্ধ না করে সঠিক খাবার বেছে নিন।
