শিক্ষক ভূগোলের ক্লাস নিচ্ছেন।
শিক্ষক : বল তো, পৃথিবী চারকোনা না হয়ে গোল কেন?
শিক্ষার্থী : স্যার, কোনা থাকলে তো হুটহাট হোঁচট খেয়ে
পড়ে যেতাম!
..........................................
ছোট্ট মেয়ে রিমি। ওর একটা সুন্দর, তুলতুলে বিড়াল আছে। নাম জিমি। বাড়িতে রিমি ও জিমিকে খুব সাবধানে চলাফেরা করতে হয়। কারণ ওর বড় বোন অনলাইনে হয় ক্লাস করে, না হয় গ্রুপ স্টাডি।
মা : রিমি, কী ব্যাপার, তোমার বিড়াল জিমি এখন এত
চুপচাপ কেন?
রিমি : ও অনলাইন ক্লাস করছে, মা!
..........................................
শিক্ষক অংক ক্লাসে যোগ শেখাচ্ছেন।
শিক্ষক : পাঁচটা আমের সঙ্গে আর পাঁচটা আম যোগ করলে কয়টা আম হবে?
নিতু : দশটা আম।
শিক্ষক : খুব ভালো!
নিতু : তবে স্যার, বেশিক্ষণ
থাকবে না।
শিক্ষক : কেন, কেন?
নিতু : বা রে! দশটা আম দেখে কি লোভ সামলানো যায়? তিন চারটে আম তো কমে যাবেই।
..........................................
শিক্ষক : বল তো, বিদ্যুৎ না থাকলে কী হতো?
রবি : স্যার, তাহলে মোমবাতি কোম্পানিরা ধনী হয়ে যেত!
শিক্ষক : ইতিহাস কেন পড়তে হয়?
নীলা : স্যার, যাতে ভবিষ্যতে ভুল করলে বলতে পারি ‘এটা ঐতিহাসিক ভুল’!
..........................................
মা : পরীক্ষা কেমন হয়েছে?
ছেলে : প্রশ্নগুলো খুব সহজ ছিল।
মা : তাহলে মন খারাপ কেন?
ছেলে : উত্তরগুলো খুব কঠিন ছিল! কিছুই লিখতে পারিনি।
..........................................
শিক্ষক : কম্পিউটারের সবচেয়ে ভালো দিক কী?
ছাত্র : স্যার, ও কখনো হোমওয়ার্ক করতে বলে না!
..........................................
ডাক্তার : বেশি বেশি পানি খাবে।
রোগী : ঠিক আছে।
ডাক্তার : দিনে অন্তত আট গ্লাস।
রোগী : আচ্ছা, কিন্তু গ্লাস না থাকলে বোতল চলবে?
..........................................
রাহাত : আমি একটা রোবট বানাবো।
বন্ধু : কী করবে সেটা?
রাহাত : আমার হয়ে পড়াশোনা করবে।
বন্ধু : তাহলে তুই কী করবি?
রাহাত : রোবটকে তদারকি করব!
গ্রন্থনা : এজাজ পারভেজ