রাশিয়া থেকে সারের ধারাবাহিক সরবরাহ ভবিষ্যতেও স্বাভাবিক রাখার জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। গতকাল বুধবার কৃষি মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার গ্রিগরিয়েভিচ খোজিন সৌজন্য সাক্ষাতে আসলে তিনি এ প্রস্তাব দেন। এ উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকের শুরুতে কৃষিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যসহ উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে এ সময় কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, রাশিয়ান দূতাবাসের প্রথম সচিব আনাস্তাসিয়া নেমোভা-সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের কৃষি, প্রযুক্তিসহ নানা খাতে রাশিয়া সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশ নন-ইউরিয়া সার বিশেষ করে এমওপি সারের একটি বড় অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি করে। ভবিষ্যতেও এ সরবরাহ যাতে স্বাভাবিক থাকে সে বিষয়ে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এছাড়া বাংলাদেশ থেকে আলু, আম, শসা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য আমদানি বাড়াতে রাশিয়াকে আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার খোজিন বাংলাদেশের কৃষি খাতে তার দেশ সহযোগিতা করতে আগ্রহী বলে জানান। বাংলাদেশ থেকে রাশিয়া নিয়মিতভাবে আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানি করে থাকে বলেও তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত।
এ সময় আলেক্সান্ডার খোজিন সার ও বীজ সরবরাহের পাশাপাশি কৃষি যান্ত্রিকীকরণেও তার দেশের আগ্রহের কথা জানান। মন্ত্রী এ বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
