সিলেট থেকে সরাসরি হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে। এ বছর সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি মোট ৭টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হবে।
এর মধ্যে প্রথম ফ্লাইট রবিবার (৩ মে) রাত ১টা ২৫ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে মদিনার উদ্দেশে যাত্রা করে। সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিলেট থেকে হজের প্রথম ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিমানের নেটওয়ার্ক আরও বিস্তৃত করতে সরকার এরই মধ্যে বোয়িং থেকে ১৪টি নতুন এয়ারক্রাফট কিনেছে। জাতীয় পতাকাবাহী এই প্রতিষ্ঠানটিকে কেবল লাভজনক করাই আমাদের লক্ষ্য নয়, বরং বিশ্ব দরবারে এটিকে একটি শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল উদ্দেশ্য।
অদূর ভবিষ্যতে বহরে আরও বেশ কিছু উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান বিমানমন্ত্রী।
সিলেট হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) সিলেট অঞ্চলের সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুল কাদির জানান, প্রতি বছরের মতো এ বছরও সিলেট থেকে সরাসরি হজ ফ্লাইট চালু হওয়া অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয়।
তিনি আরও জানান, গত বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও সিলেট থেকে মোট ৭টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে একটি মদিনায় এবং বাকি ৬টি জেদ্দা বিমানবন্দরে যাবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এসব ফ্লাইট ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ (দুটি ফ্লাইট) ও ১৮ মে সিলেট-জেদ্দা রুটে পরিচালিত হবে।
এ বছর সিলেট অঞ্চলের মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ৩ হাজার ৩৯৪ জন। এর মধ্যে ২ হাজার ৯৩৩ জন সরাসরি সিলেট থেকে সাতটি ফ্লাইটে সৌদি আরবে যাবেন এবং বাকি ৪৬১ জন ঢাকা হয়ে যাত্রা করবেন।
‘রোড টু মক্কা’ কর্মসূচির আওতায় ঢাকায় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হলেও সিলেট থেকে যাত্রাকারীদের ইমিগ্রেশন সৌদি আরবেই সম্পন্ন হবে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী হজে অংশ নেবেন। সৌদি সরকারের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী প্রতি এজেন্সির জন্য ন্যূনতম ২ হাজার জন যাত্রীর সীমা রয়েছে।
সিলেট অঞ্চলে মোট ৩০টি হজ এজেন্সি কার্যক্রমে যুক্ত থাকলেও এ বছর ২৩টি এজেন্সি নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নেয়। এসব এজেন্সি হজযাত্রীদের নিবন্ধন, ভিসা কার্যক্রম এবং সৌদি আরবে বাসস্থান নিশ্চিত করে।
এ বছর একটি সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে ‘সিলেট অ্যালায়েন্স হজ ২০২৬’ প্ল্যাটফর্মের অধীনে লিড এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ সার্ভিসেস এর লাইসেন্সে হজ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
