প্রশ্ন হাইকোর্টের

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদহার কেন অন্যান্য ব্যাংকের মতো নয়

আপডেট : ১৯ মে ২০২৬, ০৭:৫৯ এএম

গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালিত ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কেন দেশের অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে উচ্চ আদালত। এই সুদের হার কমানোর জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংককে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্তে এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বর্তমান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে রুলের জবাব দিতে বলেছে হাইকোর্ট।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাসুদ আর সোবহান ও ফাতেমা চৌধুরী। আইনজীবী মাসুদ আর সোবহান নিজেই এ আবেদনটি করেন। রিট আবেদনে বলা হয়, গ্রামীণ ব্যাংক ভূমিহীন ঋণগ্রহীতাদের জন্য প্রবর্তিত মাইক্রোক্রেডিট কর্মসূচির আওতায় যে সুদের হার আরোপ করে, তা নির্ধারিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সুদের হারের তুলনায় শোষণমূলক ও অত্যন্ত বেশি।

ব্যারিস্টার মাসুদ আর সোবহান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে কেউ ১ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ৩ হাজার টাকা পরিশোধ করলে তাকে ঋণ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপরে ব্যাংক কোনো টাকা চাইতে পারবেন না। কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংক আইনে এমন সুবিধা তো নেই-ই, উল্টা যারা ঋণ নেন তারা মাসের পর মাস সুদ দিতে থাকেন কিন্তু ঋণ থেকেই যায়। আর তাদের সুদও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অনেক বেশি।’ তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের কাছ থেকে আসলে কত টাকা সুদ নেয় এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে কেন বেশি নেয়, সেটা জানতে চেয়ে নোটিস করেছিলাম। কিন্তু তারা কোনো জবাব দেয়নি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত