জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

আপডেট : ১৯ মে ২০২৬, ০৩:১০ এএম

দলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কর্মসূচি পালনে যেন জনদুর্ভোগ না হয়, সে বিষয়ে দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছেন তিনি।

দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় এসে প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচি পালন করতে চলেছে দলটি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তার ছেলে তারেক রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘মহান যুগস্রষ্টা ও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের এক বীর সেনানি সেক্টার কমান্ডার স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিকে আমরা বার বার স্মরণ করি। তার স্মৃতি আমাদের কাছে সব সময় জাগরুক, দেশের মানুষের কাছে জাগরুক। তার শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি আমরা গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে ঈদুল আজহা পড়বে... এ জন্য কোনো অঙ্গ সংগঠন যদি আলোচনা সভা দুয়েক দিন পরও করে অসুবিধা নেই। তবে আমাদের কর্মসূচি ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত চলবে।’

তিনি বলেন, ‘কর্মসূচির মধ্যে আছে, ৩০ মে বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন। প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে জ্যেষ্ঠ নেতারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন এবং তারা উলামা দলের আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। পরের দিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রমনার ইনঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনগুলো পোস্টার প্রকাশ এবং আলোচনা সভা করবে। ৩০ মে ভোরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।’

রিজভী বলেন, ‘ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের উদ্যোগে বিভিন্ন থানায় দুস্থদের মধ্যে চাল-ডালসহ ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া জেলা, মহানগর, উপজেলাসহ সব ইউনিটে জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দুস্থদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরাফত আলী সপু, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মুনির হোসেন, তারিকুল আলম তেনজিং, মহানগর বিএনপির এসএম জাহাঙ্গীর এমপি, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানি এমপি, যুব দলের নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি, মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, ছাত্রদলের নাসির উদ্দীন নাছির, জাসাসের হেলাল খান, জাকির হোসেন রোকন, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, শ্রমিক দলের মনজুরুল ইসলাম মনজু, উলামা দলের মো. সেলিম রেজা, কাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেন, মহিলা দলের শাহিনুর নার্গিস, কৃষক দলের রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত