এবার চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ: স্থানীয়দের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ

আপডেট : ২১ মে ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম

এবার চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় আটক যুবককে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে পুলিশের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যানঘাটা আবু জাফর রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত ৯টা পর্যন্ত এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে রাখে। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন।

পুলিশ জানায়, চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় একটি ডেকোরেশনের দোকানের কর্মচারী তিন বছরের এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত কর্মচারীকে আটক করে। তবে তাকে থানায় নেওয়ার পথে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি আটকে দেয়।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ধর্ষণের অভিযোগের খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে। শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আসামিকে নিয়ে আসার সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন পথ আটকে দেন। আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগ থেকেই এলাকার মানুষ ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন। অভিযুক্তকে আটক করার পরও আমরা সেখান থেকে বের হতে পারছি না। পরিস্থিতি খুবই খারাপ। মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে আছে। তবে আটক ব্যক্তি আমাদের হেফাজতে আছে।’

এদিকে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন দুই সাংবাদিক। তারা হলেন, চট্টগ্রাম প্রতিদিনের সাংবাদিক মামুন আবদুল্লাহ ও নোবেল হাসান।

চট্টগ্রাম প্রতিদিনের প্রকাশক আয়ান শর্মা বলেন, লাইভ সম্প্রচারের সময় পুলিশের গুলিতে মামুন কোমরে এবং নোবেল হাতে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের প্রথমে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত