নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারজাত নিশ্চিত করতে হবে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ২৩ মে ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, দেশে শাক-সবজি, ফলমূল উৎপাদন পর্যায়ে সীমাহীন কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। যেখানে এক কেজি কীটনাশকের দরকার সেখানে দেওয়া হচ্ছে তিন কেজি। ফলে বিশ্ব বাজারে খাদ্যপণ্য রপ্তানির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনিরাপদ খাদ্যের কারণে সেই বাজারে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারজাত নিশ্চিত করতে হবে। 

আজ শনিবার (২৩ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ফেলোশিপ প্রদান ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকায় বিএফএসএ কার্যালয়ে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন খাদ্যের মান নিয়ে গবেষণায় জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে ফেলোশিপের অনুদানের চেক দেয়া  হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, বিএফএসএএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতনরা । 

অনুষ্ঠানে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, বিভিন্ন দেশে খাদ্যপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। তবে খাদ্যের বিশুদ্ধতার অভাবে রপ্তানি করা যাচ্ছে না। সেসব দেশের চাহিদা অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করতে হয়। কেননা তারা রপ্তানিতে অনেক কঠোর নিয়ম মেনে চলে।

তিনি বলেন, খাদ্যে ভেজাল সারা পৃথিবীর সমস্যা, আমাদের দেশে আরো বড় সমস্যা। ২০ বছর আগেও এত ক্যান্সার ছিল না। এখন ক্যান্সার বেশি হচ্ছে। খাদ্যের বিষক্রিয়াতে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হচ্ছে চিকিৎসায়। অথচ খাদ্যে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক কম ব্যবহার করে জৈব সার প্রয়োগ করলে এ অবস্থা হতো না। তাই সরকার জৈব সারের প্রয়োগ বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিচ্ছে।

খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা বলেন, বর্তমানে খাদ্যে ভেজাল নীরব ঘাতক হিসেবে কাজ করছে। এ থেকে জাতিকে রক্ষা করতে খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছাড়া কোন উপায় নেই। তিনি বিএফএসএর আর্থিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে বলেন, আমাদের গবেষণায় বরাদ্দের যে স্বল্পতা রয়েছে সেই সীমাবদ্ধতা দূর করা হবে। আশা করব ফেলোরা খাদ্যে বাস্তব যে সমস্যা রয়েছে তা চিহ্নিত করে সমাধানের পরামর্শ দিবেন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত