ই-জিপি ব্যবস্থাকে ব্যবহারকারীবান্ধব করে গড়ে তোলা হবে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, দেশের সব সরকারি ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি (ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট) বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার। এ জন্য ই-জিপি ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, ব্যবহারকারীবান্ধব এবং অংশীজনদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনে ‘ই-জিপি সিস্টেমের উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক ই-জিপি বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক দুটি পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিপিপিএ’র পরিচালক শাহ ইয়ামিন উল ইসলাম উভয় কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ সময়মতো বাস্তবায়ন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং সরকারি ক্রয়ে দক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর ই-জিপি ব্যবস্থা অপরিহার্য। সরকারি উন্নয়ন ব্যয়ের একটি বড় অংশই সরকারি ক্রয়ের মাধ্যমে ব্যয় হয়। তাই উন্নয়ন প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার সুশাসন আরও শক্তিশালী করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি পুরো সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, ই-জিপি বাস্তবায়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে বিপিপিএ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিকভাবে অংশীজন পরামর্শ সভার আয়োজন অব্যাহত রাখবে। সিরাজুন নূর চৌধুরী বলেন, প্রকল্প প্রণয়নের দুর্বলতা অনেক সময় প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যকারিতা ব্যাহত করে। তাই সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উন্নত মানসম্পন্ন ফলাফল নিশ্চিত করতে শক্তিশালী সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার পাশাপাশি উন্নত প্রকল্প পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির ওপরও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত