চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীকে খুনের দায়ে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার (২১ জুন) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. ইসমাইল হোসেন সুজন (৪৫) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের নাছের আহম্মদের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় ইসমাইল হোসেন সুজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মূলত সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানান, ৯ বছর আগে নগরের পাহাড়তলীতে আবু নাছের নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় মো. ইসমাইল হোসেন সুজন নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে (আসামি) ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার কাগজপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৪ মার্চ পাহাড়তলী থানাধীন অলংকার শপিং কমপ্লেক্সে অন্যজনের ঝগড়া থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয় ২০ বছর বয়সী আবু নাছেরকে। তিনি সীতাকুণ্ড উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ছলিমপুর গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। অলংকার শপিং কমপ্লেক্সের একটি দোকানে মোবাইল মেকানিক হিসেবে কাজ করতেন ইসমাইল হোসেন সুজন। বকেয়া ভাড়া নিয়ে সুজনের সঙ্গে ফেরদৌস ওয়াহিদ নামে আরেক ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
ঘটনার দিন ২৪ মার্চ রাতে ফেরদৌস ওয়াহিদ ভিকটিম আবু নাছেরকে সঙ্গে নিয়ে বকেয়া ভাড়া চাইতে গেলে সুজনের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ঝগড়া থামাতে এগিয়ে আসেন আবু নাছের। এ সময় সুজন একটি কাঁচি দিয়ে তার বুক ও তলপেটে আঘাত করেন। পরে মার্কেটের অন্য ব্যবসায়ীরা গুরুতর আহত অবস্থায় আবু নাছেরকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরদিন নিহত আবু নাছেরের মা মমতাজ বেগম বাদী হয়ে পাহাড়তলী থানায় ইসমাইল হোসেন সুজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দিলে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।
রাশেদ খানকে রেখে আসব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ গরুর পাশে: হানজালা