জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষমতা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে নির্ধারিত শিক্ষাগত সনদের ভিত্তিতে আবেদনকারীরা নিজ নিজ এলাকায় জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভা শেষে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, এনআইডি-সংক্রান্ত সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও নাগরিকবান্ধব করতে কমিশন কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের (মাইগ্রেশন) আবেদন পুরোপুরি অনলাইনে করার প্রস্তাব রয়েছে। এ সেবার জন্য নির্ধারিত ফি নেওয়া হবে, যা নতুন বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সিনিয়র সচিব জানান, আইন অনুযায়ী প্রতি ১৫ বছর পর জাতীয় পরিচয়পত্র নবায়নের বিধান রয়েছে। নবায়নের জন্য আবেদনকারীদের নির্ধারিত ফরমের সঙ্গে পারিবারিক তথ্য (ফ্যামিলি ট্রি) জমা দিতে হবে, যাতে তথ্য যাচাই সহজ হয়। নবায়নের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত ফি থাকবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি করা হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার সনদে উল্লেখিত জন্মতারিখের ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারাই এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়াও সহজ করা হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় আবেদনকারীরা অনলাইনে বায়োমেট্রিক তথ্য আপলোড করবেন। তদন্তে তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে কেন্দ্র থেকে অনুমোদন দেওয়া হবে। এতে নিবন্ধনের একটি ধাপ কমবে এবং সেবা দ্রুত পাওয়া যাবে।
