বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশপর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছ থেকে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সমালোচনা মুখে তা অস্বীকার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
ব্যাপক সমালোচনা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহলের আপত্তির পর রাতে এ বিষয়ে মুখ খুলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষামন্ত্রীর ভ্যারিফায়েড ফেসবুক থেকে এক স্টেটাস দেওয়া হয়। এর সত্যটা নিশ্চিত করতে শিক্ষামন্ত্রীকে সোমবার রাত ১০টার দিকে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন, এনটিআরসিএ এর কার্যক্রম ও শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও সুন্দরভাবে কীভাবে পরিচালনা করা যায়, সে বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা অব্যাহত রেখেছে। ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ প্রদান সংক্রান্ত কোনও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। এ বিষয়ে কোনো অপতথ্য প্রচার না করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।
এদিকে সোমবার রাত ১০টায় শিক্ষাসচিব আব্দুল খালেক দেশ রূপান্তরকে বলেন, কীভাবে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা যায় সে বিষয় এ কাজ চলছে।
এর আগে, এর আগে গত ৩ আগস্ট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশপর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব উঠে আসে।
সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে আগের মতো তাদের মাধ্যমে শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং প্রত্যয়ন করা শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের নিজ নিজ ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি কর্তৃক নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে বর্তমান সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে বলে সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
