তারিন, ঈশিতাদের মতো বিটিভির ‘নতুন কুঁড়ি’র মাধ্যমেই শিশুশিল্পী হিসেবে শোবিজে যাত্রা করেন অভিনেত্রী সাবরীন সাকা মীম। বড় হয়েও অভিনয়, মডেলিং ও নাচে সুনামের সঙ্গে কাজ করে দর্শকের মনের মধ্যে শক্ত একটা অবস্থান করেন। কিন্ত ক্যারিয়ার যখন রমরমা, ঠিক তখনই বিয়ে করে শোবিজ থেকে দূরে গিয়ে স্বামী-সংসারেই থিতু হন। ২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার লেডিস ক্লাবে আনন্দঘন পরিবেশেই পারিবারিক আয়োজনে ডা. শাহরিয়ার আহমেদ সজিবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মীম। বিয়ের পর অভিনয় থেকে পুরোপুরি নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি একটি টিভি অনুষ্ঠানে নিজের অভিনয়জীবন, বিয়ে, বিচ্ছেদ ও ব্যক্তিগত নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন মীম।
এই মডেল-অভিনেত্রী জানালেন তার জীবনের অনেক স্বপ্নই ভেঙে গেছে। সংসার নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে দুজনই চেষ্টা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সংসার আর টেকেনি। মীম বলেন, খুব শখ করে বিয়ে করেছিলাম। দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকার পর একসময় দুজনই বুঝতে পারি, সম্পর্কটি আর আগের মতো ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক ভাবনাচিন্তার পর সাড়ে পাঁচ বছর পর আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই আমরা। তবে এক্ষেত্রে কাউকে এককভাবে দায়ী করিনা। এক হাতে তালি বাজে না। দুজনেরই কিছু না কিছু ভুল ছিল হয়ত।’
মীম জানান, শ্বশুরবাড়ির পছন্দকে সম্মান জানাতেই তিনি অভিনয় ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে এটিই একমাত্র কারণ ছিল না। তবে পরিবারের পছন্দকে তিনি সম্মান করেছিলেন। বিষয়টি মেনে নিতে গিয়ে কখনো কখনো মন খারাপ হলেও কারও সঙ্গে এ নিয়ে বিরোধে জড়াননি। ২০১২ সালের পর নাটকে অভিনয় করা প্রায় বন্ধ করে দেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, অভিনয় ছাড়ার পরিকল্পনা আগে থেকে ছিল না। পরিস্থিতির কারণে তখন এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।
ভবিষ্যতে নতুন করে সম্পর্কে জড়ানো বা বিয়ে করার বিষয়েও নিজের দ্বিধা ও ভয়ের কথা জানিয়েছেন মীম। তার মনে হয়, আবার বিয়ে করার মতো মানসিক প্রস্তুতি এখনো তার নেই। তার মতে, বিয়ে তখনই করা উচিত, যখন দুজন দুজনের ভালো-মন্দ মেনে নেওয়ার মতো মানসিক অবস্থায় থাকবেন। একে অপরকে ছাড়া থাকা কঠিন- এমন অনুভূতি তৈরি হওয়ার পরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা
রাবির তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নেতৃত্বে সবুজ-সাইভা