দেশের বেসরকারি গণগ্রন্থাগারের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আত্মপ্রকাশ করলো ‘বাংলাদেশ বেসরকারি গ্রন্থাগার সংহতি’। শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম জাতীয় সম্মেলনে জাতীয়ভিত্তিক এই সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে। সম্মেলনে সারা দেশের ১০৪টি গ্রন্থাগারের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
জাদুঘর প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় অতিথি ও দেশের কয়েকটি শতবর্র্ষী গ্রন্থাগারের প্রতিনিধিরা জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা, পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
সম্মেলনে অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও সদস্যসচিব মফিদুল হক ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম। জাদুঘর মিলনায়তনে উদ্বোধনী অধিবেশনে শতবর্ষী গ্রন্থাগারের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন— যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকার আলী, গাইবান্ধা পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জনি, পুরান ঢাকার গ্রন্থবিতানের সাধারণ সম্পাদক মো. জহির উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর পাবলিক লাইব্রেরি ও টাউন হলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাইন উদ্দিন পাঠান, ঢাকার সীমান্ত গ্রন্থাগারের সদস্যসচিব মানজার চৌধুরী সুইট ও রাণীহাট সাধারণ পাঠাগারের সভাপতি মুজিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বেসরকারি গ্রন্থাগার সংহতির আহ্বায়ক মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কর্মসূচি প্রণয়ন, গঠনতন্ত্র অনুমোদন এবং ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়। সাবজেক্ট কমিটির প্রস্তাবের ভিত্তিতে তিন বছর মেয়াদী কমিটি নির্বাচন করা হয়। এতে দনিয়া পাঠাগারের মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ সভাপতি ও গ্রন্থবিতানের মো. জহির উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।