বাংলাদেশ ও চীন পরীক্ষিত বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ: সেতুমন্ত্রী

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ পিএম

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং যৌথ সহযোগিতাকে দেশের পরিকাঠামো বা অবকাঠামোগত উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও চীন একটি পরীক্ষিত বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। আমাদের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে চীনের আধুনিক প্রযুক্তি ও বড় আকারের বিনিয়োগ বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে এক আমূল পরিবর্তন আনতে সক্ষম।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি চীন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা প্রতিষ্ঠান ‘সিএমসি’-র প্রেসিডেন্ট ও সংশোধিত ডিপিপি কাজের গুণগত মান এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে চীনা কোম্পানির দক্ষতার ওপর সরকারের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। মান বজায় রেখে গত ছয় মাসে কাজের গতি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো প্রকার অপচয় ছাড়াই জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে নতুন ডিপিপি সংশোধন করা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও বলেন, জাতীয় স্বার্থ ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে একাধিক মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চীন সরকার এবং সেখানকার বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছে। উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা করে ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও প্রকল্প যৌথভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চীনা চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সেতু মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত