পাবনার ঈশ্বরদীতে মেহেদী হাসান (১৮) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে কারা, কী কারণে মেহেদী হাসানকে পিটিয়ে হত্যা করেছে, তা জানতে পারেনি পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা। গতকাল বুধবার সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদীকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পরিবার। নিহত মেহেদী হাসান ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের মাজদিয়া ইসলাম পাড়া গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক।
নিহতের বাবা আনিছুর রহমান জানান, ‘ঈশ^রদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ভোর ৫টার দিকে ফোন করে ছেলে গুরুতর আহত বলে আমাকে জানানো হয়। হাসপাতালে গিয়ে দেখি ছেলেকে সংকটাপন্ন অবস্থায় বেডে রাখা হয়েছে। ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, ভোরে কে বা কারা আপনার ছেলেকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে রেখে চলে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তারা ছেলেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। তিনি জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে লালপুরে এলে ছেলের অবস্থা আরও বেশি খারাপ হয়। তখন তাকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। কে বা কারা তাকে আঘাত করে, পিটিয়ে মেরে ফেলল কিছুই বুঝতে পারছি না।
ঈশ^রদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ সাবিয়া মরিয়ম সাংবাদিকদের জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় ছেলেটিকে হাসপাতালে আনা হয়। ছেলেটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাকে এখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।