সামাজিক মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান মাহিনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. আকতার হোসেন জানান, প্রতারক চক্রটি সামাজিক মাধ্যমে ‘গ্রামীণ লোন’ নামের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আকর্ষণীয় ডিজিটাল ঋণের বিজ্ঞাপন প্রচার করত। ঋণপ্রত্যাশীরা বিজ্ঞাপনে দেওয়া মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তাদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হতো। পরে ঋণ অনুমোদনের শর্ত হিসেবে কাক্সিক্ষত ঋণের ১০ শতাংশ টাকা জামানত হিসেবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠাতে বলা হতো। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবিও সংগ্রহ করত চক্রটি। জামানতের টাকা পাঠানোর পর ভুক্তভোগীর জন্য তৈরি করা ভুয়া ড্যাশবোর্ডে আবেদনকৃত ঋণ ও জামানতের অর্থ ভার্চুয়ালি প্রদর্শন করা হতো। তবে বাস্তবে ওই ঋণের অর্থ উত্তোলনের কোনো সুযোগ ছিল না। প্রতারণার কাজে চক্রটি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত অবৈধ সিম ব্যবহার করত। এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। পরে সোমবার ভোরে জামালপুরের সরিষাবাড়ী এলাকা থেকে মেহেদী হাসান মাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত থেকে একটি ল্যাপটপ, চারটি মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত ৬১টি অবৈধ সিম কার্ড জব্দ করা হয়।