কারাবন্দী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর প্রবীণ মাতা সন্ধ্যা রাণী ধর (৭১)-এর প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)-এর সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল এবং মহাসচিব দিলীপ কুমার দাস।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ শোকবার্তায় বিএমজেপি নেতৃদ্বয় এই শোক প্রকাশ করেন। এর আগে আজ সকাল ৯টা ৩৪ মিনিটে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধাম আশ্রমে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ওঁ শান্তি)।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, ক্যানসারসহ নানা জটিল শারীরিক অসুস্থতায় ভুগে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সন্ধ্যা রাণী ধরের অন্তিম ইচ্ছা ছিল—মৃত্যুর পূর্বে কারাবন্দী ছেলে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে যেন প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয় এবং তিনি যেন শেষবারের মতো ছেলের সান্নিধ্য লাভ করতে পারেন। মায়ের এই শেষ ইচ্ছা পূরণের জন্য সেসময় পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তির আবেদনও করা হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, তখন সেই আবেদন মঞ্জুর করা হয়নি এবং জীবদ্দশায় মা ও ছেলের শেষ দেখা হওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে মায়ের মৃত্যুর পর শুধুমাত্র শেষকৃত্য ও শেষ দর্শনের জন্য তাকে ৫ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।
যৌথ বিবৃতিতে বিএমজেপি নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, একজন অসুস্থ মায়ের শেষ ইচ্ছা এবং সন্তানের আকুল আবেদনকে উপেক্ষা করে সেসময় প্যারোল না দেওয়া অত্যন্ত অমানবিক ও বেদনাদায়ক ছিল। আইনি প্রক্রিয়া এবং বিচারিক কার্যক্রম নিজস্ব গতিতে চলতেই পারে, তবে মানবিক মূল্যবোধ ও মৌলিক মানবাধিকারের জায়গা থেকে অন্তিম মুহূর্তে মায়ের শেষ ইচ্ছা ও সন্তানের সান্নিধ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল।
বিএমজেপি পরিবার প্রয়াতার আত্মার সদ্গতি কামনা করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। একইসঙ্গে, যেকোনো পরিস্থিতিতে মৌলিক মানবিক ও পারিবারিক অনুভূতিকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহ্বান জানান দলটির শীর্ষ এই দুই নেতা।
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশের উদ্যোগে করপোরেট সেশন অনুষ্ঠিত