ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে খালাসের আদেশ পাওয়া আট আসামি মুক্তি পেয়েছেন। তাদের মধ্যে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সাতজন ও কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে একজন মুক্তি পান।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর পর্যায়ক্রমে তারা কারাগার থেকে বের হন।
তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন।
মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—মো. শামীম, হাফেজ আব্দুল কাদের, মহিউদ্দিন শাকিল, আফসার উদ্দিন, ইমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার উদ্দিন রানা, আব্দুর রহিম শরীফ ও কামরুন্নাহার মনি।
মুক্তি পাওয়া ইফতেখারের মা হাজেরা বেগম বলেন, "আমার ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া, ছেলেকে বুকে ফিরে পেয়েছি।"
এদিকে আসামিদের মুক্তির খবরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই তাদের আত্মীয়স্বজনেরা কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের মূল ফটকে অপেক্ষা করতে থাকেন। মুক্তি পেয়ে আসামিরা স্বজনদের জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, জামিনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
নুসরাত হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে ১০ জনকে খালাস দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে চারজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অপর দুই আসামি সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।