আট বছর পর নতুন রূপে ফিরছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বোলার হান্ট। এবার শুধু পেসার নয়, স্পিনার, মিস্ট্রি স্পিনার ও নারী বোলারদেরও প্রতিভা খুঁজে বের করা হবে এই আয়োজনে। গতকাল মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উদ্বোধন হয়েছে কার্যক্রমটির। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের আট বিভাগে শুরু হবে বাছাই। ঢাকায় হবে দুটি ভেন্যুতে। এই আয়োজনের মূল উদ্যোগ টেলিকমিউনিকেশন সংস্থা রবি।
পেসার হান্ট নামে হওয়া আগের আয়োজন থেকে রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, এবাদত হোসেনের মতো ক্রিকেটার উঠে এসেছেন। সেই সাফল্য এবার আরও বড় পরিসরে কাজে লাগাতে চায় বিসিবি। দীর্ঘ বিরতির জন্য বোর্ডের ব্যর্থতাও স্বীকার করেছেন সভাপতি তামিম ইকবাল, ‘প্রায় আট বছর ধরে এই কর্মসূচি হয়নি। এটা বিসিবির ব্যর্থতা। সর্বশেষ দুবার যখন এই কর্মসূচি হয়, তখন আমরা রিশাদ হোসেন ও এবাদত হোসেনের মতো দুজন সুপারস্টার পেয়েছিলাম।’ এবার নতুন নামকরণের কারণও ব্যাখ্যা করেন তামিম, ‘এখানে শুধু ফাস্ট বোলারদের ওপরই দৃষ্টি থাকবে না। একজন স্পিনার, মিস্ট্রি স্পিনার কিংবা যেকোনো ধরনের বোলার এখানে সুযোগ পাবে।’
অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের সুযোগ দেবেন আয়োজকরা। নারী বোলারদের জন্য থাকবে আলাদা কোচিং প্যানেল। বাছাইয়ে দায়িত্ব পালন করবেন বিসিবির কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, সোহেল ইসলাম, কোরি কলিমোর ও মুশতাক আহমেদ। নারী বোলারদের ক্ষেত্রে নির্বাচকরাও মাঠে থাকবেন। নির্বাচিতদের বিসিবির অধীনে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার সুযোগ পাবেন।
এই আয়োজন থেকে ভবিষ্যতের জাতীয় দলের জন্য চার-পাঁচজন ক্রিকেটার পাওয়ার আশাবাদ তামিমের, ‘আমি খুব আশাবাদী, এই ক্যাম্পেইন বা বোলার হান্ট থেকে আমরা হয়তো আরও চার-পাঁচজন ক্রিকেটার পাব, যারা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে কিংবা বাংলাদেশের অন্য পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নেবে।’