বাজারে বিক্রি হওয়া সব ধরনের ডিমের মান পরীক্ষা করবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বিভিন্ন সময়ে ডিমের মান নিয়ে ভোক্তাদের দেওয়া অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাজার থেকে নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জহিরুল ইসলাম। একই সঙ্গে খামার থেকে শুরু করে খুচরা বাজার পর্যন্ত ডিম ও মুরগির দামেও তদারকি বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি। গতকাল বুধবার কারওয়ানবাজারে ভোক্তা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে পোল্ট্রি খাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, বিভিন্ন সময়ে ভোক্তারা ডিমের মান নিয়ে অভিযোগ করছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে উৎপাদন থেকে বাজার পর্যন্ত সরবরাহ চেইনে থাকা ডিম সংগ্রহ করে তা ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা হবে। এদিকে কিছুদিন ধরেই বাজারে ডিমের দাম ওঠানামা করছে। প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুদিন ধরে আবারও দাম বাড়ছে। একইসঙ্গে চড়া ব্রয়লার মুরগির দামও। এমন পরিস্থিতিতে ডিম ও মুরগির বাজার নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অংশ নেন এ খাতের উৎপাদক ও সংশ্লিষ্টরা।
সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন, বর্তমানে পোল্ট্রি শিল্পের কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। পাশাপাশি গরম ও লোডশেডিংয়ে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গত কয়েক মাসে বন্ধ হয়েছে অনেক খামার। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, খামারিরা লোকসান করলেও মুনাফা করছেন মধ্যস্বত্বভোগীরা।
ভোক্তা অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজার স্বাভাবিক রাখতে সরকারের সঙ্গে উৎপাদকদেরও সহযোগিতা করতে হবে।