খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ এএম

নগরীর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একটি মেসে গভীর রাতে মো. আজমুল হোসেন (২৩) নামের নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজমুল হোসেনের মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গত শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজমুলের পিতার নাম কুতুব উদ্দিন, তার গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার শলুয়া গ্রামে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের সঙ্গে একটি মেসে থাকতেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে, তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরিবারের অভিযোগ তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা হলের বিপরীতে মসজিদ গলির মধ্যে আকিবের পাঁচতলা ভবনের চতুর্থ তলায় একটি মেসে এই ঘটনা ঘটে। সে ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছে, না তাকে মেরে ফেলা হয়েছে, তা নিয়ে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে কয়েক যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় আজমুলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। একটি ভবনের চারতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে সে গুরুতর আহত হয়েছে বলে তারা জানান। হাসপাতালে নেওয়ার প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তখন ওই যুবকরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

নগরীর হরিণটানা থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, গভীর রাতে আজমুল হোসেন নামক এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা হলের বিপরীতে মসজিদ গলির একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। কিন্তু তার শরীরের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ওসি ইকবাল হোসেন আরও জানিয়েছেন, নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে তাকে হত্যা করা হয়েছে, এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

নিহতের পরিবার জানিয়েছে, রাত ১টা সময় আজমুল বাসায় রিং করে বলে, আমার একটা ঝামেলা হয়েছে এক লাখ টাকা লাগবে। পরিবার সেই টাকা দিতে রাজি হয়, কিন্তু তারা আর ছেলেকে মোবাইল ফোনে পায়নি। সকালে এসে নিহতের স্বজনরা তার লাশ দেখতে পায়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত