৫৮২৩ শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজনে ঢাকা মহানগরের স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বইপড়া কর্মসূচির দুই দিনব্যাপী পুরস্কার বিতরণ উৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে প্রথম দিনের দিনব্যাপী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে ঢাকা মহানগরের ৭১টি স্কুলের মোট ৫ হাজার ৮২৩ শিক্ষার্থীকে বইপড়া কর্মসূচিতে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এ উৎসবে সহযোগিতা দিচ্ছে গ্রামীণফোন।

উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মোহা. হারুন-অর-রশিদ, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. আবদুন নূর তুষার, গ্রামীণফোন লিমিটেডের চিফ টেকনোলজি অফিসার আবুল কাশেম মহিউদ্দিন আল-আমিন এবং প্রাক্তন সচিব ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান। সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। পরে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাদের উদ্দেশে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন।

উৎসবে প্রতিটি স্কুলের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ‘শুভেচ্ছা’, ‘অভিনন্দন’ ও ‘সেরা পাঠক’ এই তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। ৫ হাজার ৮২৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে ‘শুভেচ্ছা’ পুরস্কার পেয়েছে ৪ হাজার ২৮৮ জন, ‘অভিনন্দন’ পুরস্কার পেয়েছে ১ হাজার ৩৬৭ জন এবং ‘সেরা পাঠক’ পুরস্কার পেয়েছে ১৬৮ জন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ছেলে ১ হাজার ১৮ জন এবং মেয়ে ৪ হাজার ৮০৫ জন।

এ বছর প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অনলাইন সেফটি ফান্ডামেন্টালস’ শীর্ষক সচেতনতামূলক অনলাইন কোর্স চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অভিভাবক ও শিশু-কিশোররা নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও সচেতন ইন্টারনেট ব্যবহারের মৌলিক জ্ঞান লাভ করবে। অনুষ্ঠানস্থলে ‘অনলাইন সেফটি কর্নার’-এ অভিভাবক ও শিক্ষকদের শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ বিষয়ে সচেতনতামূলক তথ্য দেওয়া হচ্ছে।

বক্তব্যে সংস্কৃতি সচিব ইয়াসমিন বেগম বলেন, ‘যে বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখি, তার প্রতিফলন আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি।’ পড়াশোনা, মানসিক চাপ ও নানা ব্যস্ততার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের বই পড়ার চর্চা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভালো বই পড়া এবং ইন্টারনেটের গঠনমূলক ব্যবহারই শিশুদের পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।’

আবদুন নূর তুষার বলেন, ‘বই এক প্রজন্মের সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মকে যুক্ত করে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত