কটিয়াদীতে কারাবন্দী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পিএম

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক নেতা খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) মারা গেছেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত খাইরুল আমিন রুহুল সরকার কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের মৃত উসমান গণির ছেলে।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, শনিবার সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা অবস্থায় হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন রুহুল সরকার। বিষয়টি জানার পর কারা কর্তৃপক্ষ তাকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে রাত সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

রুহুল সরকারের বড় ভাই এবং চরঝাকালিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমীন বলেন, কারা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে ছুটে যান।

কারাবন্দী অবস্থায় রুহুল সরকার কয়েক দিন ধরে বুকে ব্যথার কথা জানালেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যথাসময় দেওয়া হয়নি। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার কথা বলার পরও প্রায় চার ঘণ্টা পর তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। নুরুল আমীনের দাবি, সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা হলে তার ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা এতটা সংকটাপন্ন নাও হতে পারত।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে খাইরুল আমিন রুহুল সরকারকে গ্রেপ্তার করে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ বলেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় রুহুল সরকারের বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত