সাবেক অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্তের পর ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া’র ঘোষণা সংক্রান্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়েছে।
হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় গতকাল রবিবার আসিফ মাহমুদের পক্ষে এ রিট আবেদনটি করেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা। আবেদনে দুদককে বিবাদী করা হয়েছে। আসিফ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র।
রিট আবেদনে, গত ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালকের করা প্রেস ব্রিফিং সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ ও ২০১১ সালের তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালার লঙ্ঘন হওয়ায় কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এ মর্মে রুলের আরজি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কোনো অনুসন্ধান বা তদন্ত চলমান অবস্থায়, সে বিষয়ে কোনো ধরনের প্রেস ব্রিফিং করা থেকে দুদককে বিরত রাখতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ বিষয়ে রুল চেয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।
অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দুদকের ব্রিফিংয়ে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্তের পর প্রাথমিক সত্যতার বিষয়ে বলা হয়েছে। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী আইনানুগ কর্তৃত্ব বা ব্যবস্থা ব্যতিত ব্যক্তির সুনাম ও সম্মান বজায় রাখতে হয়। কিন্তু দুদকের এ ধরণের পদক্ষেপে রিটকারীর সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি।’
আইনজীবী জানান, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নের্তৃত্বে গঠিত হাইকোর্টের একটি অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চের আগামীকাল মঙ্গলবারের কার্যতালিকায় এ রিট আবেদনটি শুনানির জন্য রয়েছে।