স্কুলে ভর্তিতে থাকছে সর্বোচ্চ ১৫% কোটা

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ এএম

দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির নিয়ম-কানুন বদলাচ্ছে। আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সম্প্রতি একটি নতুন খসড়া নীতিমালা তৈরি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। সেটি অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি স্কুলে ভর্তিতে ১৪ এবং বেসরকারিতে ১৫ শতাংশ কোটা রাখার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন করলে এ নীতিমালা মেনেই ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি নেওয়া হবে।

খসড়া নীতিমালার তথ্যমতে, ভর্তিতে এবার সরকারি স্কুলে ১৪ শতাংশ কোটা থাকতে পারে। এর মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা অথবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা থাকবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, যমজদের জন্য ২ শতাংশ এবং সহোদর (ভাই-বোন) ৩ শতাংশ কোটা রাখা হতে পারে। এ ছাড়া সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১ শতাংশ কোটা থাকবে।

একইভাবে বেসরকারি স্কুলে ভর্তিতে এই ১৪ শতাংশের পাশাপাশি ১ শতাংশ কোটা বাড়তি রাখা হবে। এই ১ শতাংশ কোটা বরাদ্দ থাকবে লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিশুদের জন্য। লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিশুদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে এ কোটা রাখবে প্রতিষ্ঠানগুলো। নিকটস্থ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে তারা।

ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা : এদিকে, রাজধানীতে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করা শিক্ষার্থীদের নিজ বাসার আশপাশে পড়ালেখার সুযোগ দিতে আগে থেকেই চালু থাকা ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা বহাল রাখা হয়েছে। এতে ঢাকা মহানগরের সরকারি বিদ্যালয়ে ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করতে হবে। ঢাকা মহানগরের সব সরকারি বিদ্যালয়ের আওতাধীন ক্যাচমেন্ট এরিয়া নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করবে মাউশি। আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের মোট আসনের ১০ শতাংশ স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

মাউশির মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, ‘আমরা ভর্তির খসড়া নীতিমালা করেছি। সেটা অনুমোদন দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ে সভা হবে, সেখানে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনে নীতিমালায় কিছু পরিবর্তনও হতে পারে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত