এলপিজির কৃত্রিম সংকট খতিয়ে দেখতে ডিসিদের নির্দেশ

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৩ এএম

কয়েক দিন ধরে বাজারে এলপিজির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার বলছে এলপিজির কোনো সংকট নেই। এমনকি বেসরকারি অপারেটরটাও বলছে বাজারে কোনো সংকট নেই। কিন্তু ভোক্তা এলপিজি পাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ১২ কেজির বোতল বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ টাকা। সূত্র বলছে, নতুন দাম ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করছেন এলপিজি অপারেটররা। আগামী মাসের (অক্টোবর) জন্য দুয়েক দিনের মধ্যে নতুন দাম ঘোষণা করবে বিইআরসি। নতুন দামে এলপিজির দাম বাড়বে। এই কারণে বাজারে কৃত্তিম সংকট তৈরি করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বিদ্যুৎ জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ডিসিদের সঙ্গে একটি অনলাইন বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে মন্ত্রী দেশের কোথাও এলপিজির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন।

এলপিজির বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর অপারেটরদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। কিন্তু এতে বাজারে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন না আসায় সরকার কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে। মন্ত্রী ডিসিদের বলেন, দেশে এলপিজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রি করা হতে পারে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও কেন এলপিজির সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে এবং কেন অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবেদন দিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব এলাকায় সরবরাহ কম, সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনকে আরও সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত