পিরোজপুরে ট্রলার দুর্ঘটনা: ৩ দিন পর গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত তিন দিন আগে শ্রীরামকাঠী বন্দরে ট্রলার ডুবির দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার দিনই এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে রীনা বেপারী নিখোঁজ ছিলেন।

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী বন্দরে ফেরিঘাটে ট্রলার দুর্ঘটনায় নিখোঁজের তিন দিন পর রীনা বেপারী (৩৯) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মধুরাবাধ এলাকায় স্থানীয়রা মরদেহটি নদীতে ভেসে উঠতে দেখে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত রীনা বেপারী নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি)  উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভরতকাঠি গ্রামের শংকর বেপারীর স্ত্রী।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত তিন দিন আগে শ্রীরামকাঠী বন্দরে ট্রলার ডুবির দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার দিনই এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে রীনা বেপারী নিখোঁজ ছিলেন।

পিরোজপুর জেলা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক রায়হানুর আশরাফ জানান, দুর্ঘটনার দিনই আমরা শিশুর মদেহ উদ্ধার করতে পেরেছিলাম। তবে গৃহবধূ নিখোঁজ ছিলেন। আজ সকালে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের যৌথ প্রচেষ্টায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। ট্রলারে আমাদের উদ্ধার অভিযান চলমান ছিল। সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে মধুরাবাধ এলাকা থেকে মরদেহটি শনাক্ত করা হয়। নিহতের দেবর মরদেহটি শনাক্ত করার পর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজিয়া শাহনাজ তমা বলেন, ট্রলার দুর্ঘটনার দিনই শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। নিখোঁজ নারীর মরদেহ আজ সকালে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে যাদের বিরুদ্ধে অবহেলা বা গাফিলতির অভিযোগ উঠবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া ইজারা দেওয়া ঘাটের লোকজনের যদি কোনো অবহেলা থেকে থাকে, তবে ঘাটের ইজারা বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত