ঢাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ খুঁজতে ৫ সদস্যের কমিটি

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১২ পিএম

রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামের আংশিক এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি। একই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আবার না ঘটে, সে জন্য করণীয় নির্ধারণ করে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিটির প্রধান করা হয়েছে সঞ্চালন-২-এর প্রধান প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলীকে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটের দিকে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। একই সময়ে চট্টগ্রামের কিছু এলাকাও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হয়।

পরে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ জানায়, জাতীয় গ্রিডের পুনরুদ্ধার কার্যক্রম দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় গ্রিডের সব সঞ্চালন লাইন ও উপকেন্দ্র চালু করা হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও পর্যায়ক্রমে চালু করার কথা জানানো হয়।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বিদ্যুৎ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটে। জাতীয় লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭১৯ মেগাওয়াট। বিভ্রাটের পর তা কমে দাঁড়ায় ৯ হাজার ৩৪৯ মেগাওয়াটে। ফলে উৎপাদন কমে যায় ৫ হাজার ৩৭০ মেগাওয়াট।

গঠিত কমিটি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করবে। এ বিষয়ে মতামত ও সুপারিশসহ পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত