শয়তান মানুষকে নানা উপায়ে পাপের দিকে টেনে নিয়ে যায়। মুমিনের দায়িত্ব হলো, শয়তানের প্ররোচনা থেকে সতর্ক থাকা এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। কোরআন ও হাদিসে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার বিভিন্ন আমল ও দোয়া বর্ণিত হয়েছে।
শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার অন্যতম উপায় হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে, তবে তুমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা আরাফ ২০০)
তাই মনে খারাপ চিন্তা এলে ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’ পড়তে হবে। এর অর্থ হলো, বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
শয়তানের অনিষ্ট থেকে বাঁচতে সুরা ফালাক ও সুরা নাস পাঠ করা গুরুত্বপূর্ণ আমল। সুরা নাসে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা সৃষ্টিকারী শয়তানের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়ার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ঘুমানোর আগে সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে শরীরে হাত বুলিয়ে নিতেন। (সহিহ বুখারি)
নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত ও নিয়মিত জিকির শয়তানের প্ররোচনা থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা তাকওয়া অবলম্বন করে, তাদের ওপর শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো কুমন্ত্রণা এলে তারা আল্লাহকে স্মরণ করে। তখনই তাদের অন্তর্দৃষ্টি খুলে যায়।’ (সুরা আরাফ ২০১)