বেকার নারীর ল্যাপটপ পেলেন সরকারি কর্মচারী

বেকার নারীদের ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে “হার পাওয়ার প্রকল্পে” বেকার নারীদের ল্যাপটপ পাওয়ার কথা থাকলেও একজন সরকারী কর্মচারী ও একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রশিক্ষক ল্যাপটপ উত্তোলন করেছেন। 

তারা হলেন- জিনাত তাসনিম নওশীন নামে বিএডিসিতে কম্পিউটার অপারেটর পদের একজন সরকারি কর্মচারী ও  তাসলিমা আক্তার নামে আরো একজন প্রশিক্ষণার্থী সে নিজে ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এ প্রকল্পের ৪টি গ্রুপের ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও কল সেন্টার এজেন্ট মোট ১০৫ জন নারীর মাঝে প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার আগেই জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়েছে। ল্যাপটপ বিতরণী সভায় জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি এর মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান এনডিসি। 

সদর উপজেলা আইসিটি অফিসার আল আমিন ফারুক (সহকারী প্রোগ্রামার) এর সঞ্চালনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. রাজীব উল আহসান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুদ ভূইয়া বক্তব্য রাখেন।

 এ সময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, দেশের ৪৪ টি জেলার সদর উপজেলাসহ মোট তিনটি উপজেলা ও পীরগঞ্জ উপজেলা সহ মোট ১৩০টি উপজেলায় তথ্যপ্রযুক্তিকে নারীদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিতে ৪টি ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ২৫ হাজার ১২৫ জন নারীকে পাঁচ মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুর সদর উপজেলায় ২১০ জন, নালিতাবাড়িতে ১৮৫ জন এবং শ্রীবরদীতে ১২৫ জনসহ মোট ৫৮০ জন নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার আগেই এই ল্যাপটপ বিতরণটি কতটুকু ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। সেই সাথে তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের যাচাই-বাছাইয়ের আরো কঠিন হওয়া উচিত বলে মনে করেন। 

এসব অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে সদর উপজেলার আইসিটি অফিসার আল আমিন ফারুক বলেন, এ বিষয়টি দেখা হবে এবং পরবর্তীতে যাতে এরকম কেউ সুযোগ না পায় সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।