এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে গুণীজন সংবর্ধনা ও বইমেলা

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১১:৫৩ পিএম

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৩ উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা ও বইমেলার আয়োজন করেছে।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আশুলিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ব‍্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ। এইউবি’র লাইব্রেরিয়ান রাবেয়া আক্তার অনুষ্ঠানে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।

সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে শুরুতে ডা. এবিএম আবদুল্লাহ মেলার স্টলগুলি পরিদর্শন করেন। এরপর প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন শিল্পীরা গান এবং জাদু পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে এবিএম আবদুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একসময় ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তখন অনেকে বুঝতে পারেননি ডিজিটাল বিষয়টা সম্পর্কে। পরবর্তীতে মানুষ এর সুফল পাওয়ার মাধ্যমে বুঝতে পেরেছেন ডিজিটালের প্রকৃত অর্থ। এখন তিনি ঘোষণা দিয়েছেন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার। এই স্মার্ট দেশ গড়তে হলে আমাদের স্মার্ট লাইব্রেরি গড়ে তুলতে হবে। আলোকিত মানুষ তৈরি করতে স্মার্ট লাইব্রেরির বিকল্প নেই।’

অনুষ্ঠানে লাইব্রেরিয়ান রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের শিক্ষা ব‍্যবস্থাকে স্মার্ট করতে হবে। স্মার্ট লাইব্রেরি গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। সমাজকে আলোকিত করতে আলোকিত মানুষদের আমরা এ জন্য সম্মাননা দিচ্ছি। যাতে সবাই বইমুখী হয় এবং স্মার্ট দেশ গড়ে তোলে। আমরা এখানে বই মেলার আয়োজন করেছি। আগামী ১০ তারিখ পর্যন্ত ক্যাম্পাসে মেলা চলবে।’

তিনি আরও বলেন, যাদের সংবর্ধনা দিয়েছি তারা হলেন ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা। তারা মানুষকে বইমুখী, গ্রন্থাগারমুখী করার জন্য যে অবদান রেখেছেন সে জন্য তাদের সম্মান জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও মানুষকে দেওয়া হবে। যাতে মানুষ উৎসাহিত হয়। এ ছাড়া আমরা নিয়মিত বৃক্ষরোপণ করে থাকি, দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করি। সামনের শুক্রবারও দেব। রক্তদান কর্মসূচি পালন করি, হারিয়ে যাওয়া বাংলা খাবার ধরে রাখার জন্য এখানে পিঠা উৎসব করছি।

অনুষ্ঠানে ১৪ জন বিশেষ ব্যক্তিকে গুণীজন সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসব ব্যক্তিরা সমাজে বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে বইমুখী করতে এবং সমাজ পরিবর্তনে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভূমিকা পালন করছেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক, উপাচার্য প্রফেসর ড. শাহাজান খান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. নুরুল ইসলাম, পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশের ট্রাস্টি, বাংলাদেশ বেসরকারি গ্রন্থাগার পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মালিক খসরু পিপিএম, উপস্থাপনায় ছিলেন ডক্টর ঈসা মোহাম্মদ ও প্রফেসর ড. শিরিন ডাক্তার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত