সব সংকটের মূলে ডলার

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২২, ০৪:১৮ এএম

বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মতো বাংলাদেশও বৈদেশিক মুদ্রা বিশেষ করে মার্কিন ডলার নিয়ে বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে উচ্চমূল্যে কাঁচামাল ও জাহাজ ভাড়ার কারণে আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে, যার দায় পরিশোধ করতে গিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিরাপদ রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাহিদা-জোগানের মধ্যে সমন্বয় করতে না পেরে দফায় দফায় ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন করেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। সংকট এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, ব্যাপক চাহিদার কারণে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে খোলা বাজারে ডলারের দাম গিয়ে ঠেকেছে ১১২ টাকায়।

খোলা বাজারের সঙ্গে ব্যাংকের ডলারের দরের ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যে দর নির্ধারণের ভার ব্যাংকের হাতে ছেড়ে দিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। সম্প্রতি সেই ব্যবধান আবার ৯-১০ টাকায় পৌঁছে গেছে। এতে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসা কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।

ডলারের এমন সংকট দেশের অর্থনীতির প্রায় সব খাতেই বিরূপ প্রভাব ফেলছে। দ্রুত ডলারের দাম বাড়ায় বিলম্বে এলসি নিষ্পত্তির (ডেফার্ড এলসি) ক্ষেত্রে অধিকাংশ আমদানিকারককে ১৫ থেকে ১৮ শতাংশ বেশি মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে। ডলার সংকটে সরকারের জ্বালানি ব্যয় কমিয়ে আনার উদ্যোগের ফলে ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এতে করে শিল্পের উৎপাদন কমে গেছে। আবার ডলারের দর বাড়ায় বেড়ে গেছে উৎপাদন ব্যয়। অনেক কোম্পানি লোকসানে পড়েছে। আমদানিতে বেশি মূল্যে ডলার কিনতে হওয়ায় পণ্য মূল্য আরও বাড়ছে, যা বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিচ্ছে। সরকারি কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কাটছাঁট করতে হয়েছে। ডলারের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধি বিরূপ প্রভাব ফেলছে পুঁজিবাজারেও। বিদেশিরা শেয়ার বিক্রি করে দেশের বাজার ছাড়ছেন, যার চাপ সামলাতে না পেরে নিয়মিত পতনের ধারা থেকে বের হতে পারছে না পুঁজিবাজার। ডলার বাঁচাতে বিলাসী পণ্যে নিয়ন্ত্রণমূলক কর বাড়ানো ও সম্পূর্ণ নগদ অর্থে এলসি খোলার ঋণপত্র বাধ্যবাধকতায় বিলাসী পণ্য বিক্রিতেও ধস নেমেছে।

গত কয়েক দিন ধরে ডলারের সংকট চরম। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দর। খোলা বাজারে দর লাগামহীন। ইউরোর মতো দামি মুদ্রাও এখন ডলারের কাছে ধরাশায়ী। এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে একের পর এক নির্দেশনা দিয়েও বাগে আনতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল মঙ্গলবার খোলা বাজারে (কার্ব মার্কেট) ডলার ১১২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ব্যাংকে নগদ ডলারের দর ১০৩ থেকে ১০৪ টাকায় উঠেছে। এর আগের দিন সোমবার খোলা বাজারে নগদ ডলার কেনাবেচা হয়েছে ১০৫-১০৬ টাকায়। এক দিনের ব্যবধানে ডলারের দাম বেড়েছে ৫-৬ টাকা।

এদিকে ব্যাংক থেকে কেনা ডলারের তুলনায় খোলা বাজারের দরের ব্যবধান অনেক বেশি হওয়ায় হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

এ বিষয়ে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতে ডলারের দর কমিয়ে আনতে হলে প্রথমেই স্থানীয় মুদ্রাকে আকর্ষণীয় করতে হবে। এজন্য ব্যাংকগুলোর হাতে যে টাকা আছে তা দ্রুত বাজারে আনতে সুদের হার বাড়াতে হবে। সুদের হার বাড়লে ব্যাংকগুলো বাড়তি মুনাফার আশায় নতুন অনেক গ্রাহককে ঋণ দেবে। তখন স্থানীয় শিল্পের উৎপাদন বাড়লে আমদানিও কমে আসবে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে আমদানি কমাতে না পারলে ডলার দর সহজে কমবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করে ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এজন্য ভিন্ন পথ অবলম্বন করতে হবে, তবে তা খুবই সাবধানে করতে হবে। যদি পারা যায় বিদেশ ভ্রমণ কমিয়ে আনতে হবে। এখন চিকিৎসার জন্য ১৫ লাখ লোক ভারতে যায়, মালয়েশিয়া যায়, সিঙ্গাপুরে যায়। অথচ দেশে চিকিৎসার মান উন্নত করতে পারলে অনেকে দেশেই সেবা নিত। ডলারও বেঁচে যেত।’

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করতে দিতে হবে। আমরা এখানে বিদেশ থেকে ডাক্তার-নার্স আনতে দিই না। এভাবে আমরা দেশের স্বাস্থ্য খাতের মান উন্নত করার পথ বন্ধ করে দিচ্ছি। কিন্তু অন্য দিক দিয়ে প্রচুর ডলার ব্যয় করছি বিদেশে চিকিৎসার জন্য।’ এভাবে খোলা বাজারের সঙ্গে ডলারের দরের ব্যবধান বাড়তে থাকলে রেমিট্যান্স আরও কমে যাবে এবং হুন্ডিতে টাকা পাঠানো বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে গত মে মাসের শেষদিকে রেমিট্যান্স বাড়াতে ডলারের দর নির্ধারণ করে দেওয়া শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এর মাত্র সপ্তাহখানেকের মধ্যে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় ডলারের দর নির্ধারণের ভার আবারও ব্যাংকের হাতে ছেড়ে দিতে হয়। বর্তমানে আন্তঃব্যাংক ডলারের দর ৯৪ দশমিক ৭০ টাকা। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি আমদানি বিল মেটাতে এ দরে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে। নিয়ম অনুযায়ী এটাই ডলারের আনুষ্ঠানিক দর। ২৪ জুলাই এ দর ছিল ৯৪ দশমিক ৪৫ টাকা। মে মাসের শুরুর দিকে এ দর ছিল ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সায়। শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া দরের হিসাবে দুই মাসের ব্যবধানে টাকার মান কমেছে ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গত বছর ২৫ জুলাই প্রতি ডলারের জন্য ৮৪ দশমিক ৮০ টাকা খরচ করতে হতো।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত দরে ডলার পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও। ব্যাংক থেকেই আমদানিকারকদের ডলার কিনতে হচ্ছে ১০৩-১০৪ টাকা দরে। শিল্পকারখানাগুলো জানিয়েছে, বিলম্বে এলসি নিষ্পত্তি করতে গিয়েই বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিন মাস আগে যেসব কাঁচামাল প্রতি ডলার ৮৬-৮৭ টাকা দরে আমদানি করা হয়েছিল, এখন সেসব এলসি নিষ্পত্তি করতে গিয়ে তা ১০৩-১০৪ টাকায় মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে প্রায় ২০ শতাংশ লোকসান মেনে নিতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিএসআরএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন সেনগুপ্ত দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ডলার সংকট আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যে মারাত্মক বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত দরের চেয়ে অনেক বেশি দরে ডলার কিনে আমদানি দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে। আমাদের এখন প্রতি ডলার কিনতে হচ্ছে ১০৩-১০৪ টাকায়। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ডেফার্ড পেমেন্ট (বিলম্বে মূল্য পরিশোধ) করতে গিয়ে।’ তিনি জানান, তারা কাঁচামাল ৮৪-৮৫ টাকা রেটে আমদানি করে তা বিক্রি করলেও এখন সেই আমদানির দায় ১০৪ টাকায় পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে করে কোম্পানি বিপুল পরিমাণের লোকসানে পড়েছে।

ডলার সংকট শিল্পকারখানাগুলোকে আরও বিপাকে ফেলেছে। সরকার জ¦ালানি ব্যয় কমিয়ে আনতে এলএনজি ও জ্বালানি তেলে ব্যয় সাশ্রয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এতে করে শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। নিয়মিত লোডশেডিংয়ের মধ্যেও পড়তে হচ্ছে। এতে করে অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন ৩০ শতাংশ এবং কোথাও কোথাও আরও বেশি কমে গেছে। গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ না পেয়ে অনেক কারখানাকে ইস্পাত, সিরামিক, বস্ত্র ও তৈরি পোশাক উৎপাদন কমিয়ে আনতে হয়েছে। গ্যাসের সরকারি সার উৎপাদন কারখানাগুলোও বন্ধ রাখতে হয়েছে। এতে করে সারেও সংকট তৈরি হতে পারে।

ডলার সংকটের কারণে বর্তমানে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম কিছুটা কমলেও দেশের মানুষ সেই সুফল পাবে কি না তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। আমদানিতে বেশি মূল্যে ডলার কিনতে হওয়ায় পণ্যের দাম দেশে কমার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। ফলে দেশে যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে, তা কমার সম্ভাবনাও কমিয়ে দিয়েছে ডলারের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধি। আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি উসকে দিচ্ছে। গত জুন মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গত ৯ বছরের ইতিহাসে এত বেশি মূল্যস্ফীতি কখনো দেখা যায়নি।

এদিকে ডলারের দাম বাড়তে থাকার বিরূপ প্রভাব পড়েছে দেশের পুঁজিবাজারেও। বিদেশিরা লাগাতার শেয়ার বিক্রি করে টাকা ফেরত নিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে মন্দায় থাকায় দেশের পুঁজিবাজারে বিক্রি চাপ আরও বেড়েছে। শেয়ার দর পতনের সর্বোচ্চ ২ শতাংশ সীমা নির্ধারণের পরও কোরবানি ঈদের পর টানা ৯ কার্যদিবসে ৩১৪ পয়েন্ট হারিয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক। যদিও গত দুদিনে দরপতনের ধারা থেমেছে। কিন্তু বিদেশি ও ব্যক্তিশ্রেণির বড় বিনিয়োগকারীর বিক্রিচাপ অব্যাহত থাকায় বাজার আবারও মন্দায় ফিরতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

করোনা মহামারীর প্রকোপ কমে আসা শুরু করলে গত অর্থবছরের প্রথম থেকেই দেশের আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। এর মধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধাক্কা খায়। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে হু হু করে। বিশেষ করে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের মতো অনেক দেশেরই আমদানি ব্যয় বাড়তে শুরু করে। আর এ আমদানিজনিত বর্ধিত ব্যয় মেটাতে গিয়ে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে আন্তর্জাতিক এ মুদ্রাটির দরও বাড়তে শুরু করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে আমদানির পেছনে প্রায় ৯ হাজার কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। রপ্তানি সেই তুলনায় না বাড়ায় বাণিজ্য ঘাটতি ৩ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ১৫ শতাংশ।

সার্বিক পরিস্থিতিতে ডলারের বাজারের চাহিদা মেটাতে গত অর্থবছর ৭৬২ কোটি ডলার রিজার্ভ থেকে ব্যাংকগুলোকে জোগান দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি জুলাই মাসে এখন পর্যন্ত ১০০ কোটি ডলারের বেশি রিজার্ভ থেকে সরবরাহ করা হয়েছে। এরপরও ডলারের দর লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নেমে এসেছে ৩৯ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলারে।

জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমিয়ে আনায় লোডশেডিং হচ্ছে। প্রতিদিন দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছে না দেশের মানুষ। সরকারি প্রকল্প কাটছাঁট ও বিদেশ ভ্রমণসহ অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল দেশের সব ব্যাংককে বিদ্যুৎ ও জ¦ালানি খরচ কমানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী বছরের জুন পর্যন্ত বিদ্যুতে ২৫ শতাংশ এবং জ্বালানিতে ২০ শতাংশ খরচ কমাতে হবে ব্যাংকগুলোকে।

নির্দেশনায় বলা হয়, চলতি বছরের ছয় মাস এবং আগামী বছরের প্রথম ছয় মাস ব্যাংকের ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধন করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করতে হবে।

রেমিট্যান্স বাড়াতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে যেকোনো অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠাতে আয়ের উৎসের নথিপত্র দেখানোর প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া সরকারও রেমিট্যান্সের বিপরীতে আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। তারপরও রেমিট্যান্স বাড়ছে না।

আবদুর রউফ তালুকদার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে যোগদানের পর রপ্তানি বাড়াতে গত দুই সপ্তাহে সাত-আটটি সার্কুলার জারি করেছেন। এগুলোর সঠিক বাস্তবায়নের জন্য গত সোমবার ব্যাংকার্স সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান প্রধান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন হলে রপ্তানিও বাড়বে। ডলারের বাজারও স্থিতিশীল হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত