দশ দিনের মধ্যে শুরু হবে করোনার বুস্টার ডোজ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৪৫ পিএম

করোনাভাইরাসের টিকার বুস্টার ডোজ সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে দেওয়া শুরু হতে পারে বলে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, জাতীয় পরামর্শক কমিটির সুপারিশের অপেক্ষায় আছি। সুরক্ষা অ্যাপ আপডেট করার কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে এটা শুরু করা যাবে।

শনিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে ‘জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বয়স্কদের বুস্টার ডোজ দিচ্ছে। আমরাও বয়স্কদের বুস্টার ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ষাটোর্ধ্ব ও ফ্রন্টলাইনারদের বুস্টার ডোজ দেব। এ সময় ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে চলা জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়াতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক আবুল বাশার মো. খুরশিদ আলম বক্তব্য দেন।

এদিন রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ (ঢাকা) শিশু হাসপাতাল প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করবেন। এই জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন চলবে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ২৩ লাখ শিশুকে ১টি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮৭ লাখ শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে করোনার কারণে এবার বাস ও রেলস্টেশনগুলোতে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র পরিচালনা বন্ধ থাকবে।

জাতীয় পুষ্টি সেবা ও জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজর (ডিপিএম) ডা. গাজি আহমাদ হাসান বলেন, প্রতিটা কেন্দ্র হেলথ ওয়ার্কারে সঙ্গে দুইজন করে স্বেচ্ছাসেবক থাকবে। প্রত্যেক উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের তদারকি করতে স্বাস্থ্য সহকারী ও হেলথ ইন্সপেক্টর নিয়োজিত রয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি এনজিও কর্মীরাও সহায়তা করবে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত